প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেল বা বেতন কাঠামোর সুপারিশ পর্যালোচনার কাজ সচিব কমিটি চালিয়ে যাবে।
রোববার (৫ এপ্রিল) বৈঠকের পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণের প্রক্রিয়া নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী এগিয়ে নেওয়া হবে। সচিব কমিটি বিষয়টি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে সুপারিশ দেবে এবং সেই সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি জানান, সাধারণত পে কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর সচিব কমিটিই মূল পর্যালোচনার দায়িত্ব পালন করে। একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এবারও কাজ এগোবে।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকার নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের একটি জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। কমিশন সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। এতে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, এই সুপারিশ বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রায় এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও নয় লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের মোট ব্যয় বর্তমানে প্রায় এক লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।
সরকার সূত্রে জানা গেছে, কমিশনের প্রতিবেদন বাস্তবায়নের আগে একাধিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। এর অংশ হিসেবে নয় সদস্যের একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা হয়, যা জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন-২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি-২০২৫ এর প্রতিবেদন পরীক্ষা করে সুপারিশ দেবে। সম্প্রতি বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কমিটি তাদের কার্যক্রম পুনরায় শুরু করবে।
ডেস্ক নিউজ 


















