আদালতে পুলিশের সঙ্গে চিৎকার-চেঁচামেচি হাজী সেলিমের

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শাহবাগ থানার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিমকে। এদিন তাকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য সকাল ১০টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকার সিএমএম আদালতের এজলাসে হাজির করা হয়। পরে আদালতের কাঠগড়ায় রাখা হয় তাকে।

এ সময় তার হাতে পত্রিকার একটি পৃষ্ঠা দেখা যায়। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে এক পুলিশ সদস্য পত্রিকার পৃষ্ঠাটি হাজী সেলিমের হাত থেকে নিতে গেলে চিৎকার করে ওঠেন তিনি। হাজী সেলিম চিল্লাতে থাকেন পুলিশ সদস্যকে লক্ষ্য করে। পরে তার আইনজীবীর মধ্যস্থতায় শান্ত হন তিনি।

এরপর গ্রেফতার দেখানো শুনানি শুরু হয়। পরে শাহবাগ থানার এক মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট পার্থ ভদ্র।

পরে ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে এজলাস থেকে হাজী সেলিমকে নামিয়ে হাজতখানার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এখানেও বাধে বিপত্তি। পুলিশের সঙ্গে ফের চিল্লাপাল্লায় লিপ্ত হন হাজী সেলিম। পরে শান্ত হলে ধীরে ধীরে এজলাস থেকে নামিয়ে হাজতখানার দিকে নিয়ে যাওয়া হয় হাজী সেলিমকে। এ সময় তার মাথায় হেলমেট, বুকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট এবং দুইহাত পেছন দিক থেকে পিছমোড়া করে বাধা ছিল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

আদালতে পুলিশের সঙ্গে চিৎকার-চেঁচামেচি হাজী সেলিমের

Update Time : ০১:২৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শাহবাগ থানার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিমকে। এদিন তাকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য সকাল ১০টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকার সিএমএম আদালতের এজলাসে হাজির করা হয়। পরে আদালতের কাঠগড়ায় রাখা হয় তাকে।

এ সময় তার হাতে পত্রিকার একটি পৃষ্ঠা দেখা যায়। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে এক পুলিশ সদস্য পত্রিকার পৃষ্ঠাটি হাজী সেলিমের হাত থেকে নিতে গেলে চিৎকার করে ওঠেন তিনি। হাজী সেলিম চিল্লাতে থাকেন পুলিশ সদস্যকে লক্ষ্য করে। পরে তার আইনজীবীর মধ্যস্থতায় শান্ত হন তিনি।

এরপর গ্রেফতার দেখানো শুনানি শুরু হয়। পরে শাহবাগ থানার এক মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট পার্থ ভদ্র।

পরে ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে এজলাস থেকে হাজী সেলিমকে নামিয়ে হাজতখানার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এখানেও বাধে বিপত্তি। পুলিশের সঙ্গে ফের চিল্লাপাল্লায় লিপ্ত হন হাজী সেলিম। পরে শান্ত হলে ধীরে ধীরে এজলাস থেকে নামিয়ে হাজতখানার দিকে নিয়ে যাওয়া হয় হাজী সেলিমকে। এ সময় তার মাথায় হেলমেট, বুকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট এবং দুইহাত পেছন দিক থেকে পিছমোড়া করে বাধা ছিল।