জুলাইয়ে খামেনির জানাজা, দাফন হবে ইরাকের মাশহাদে

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফনের কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। বিদায় অনুষ্ঠান তদারকি কমিটির মুখপাত্র ইমান আত্তারজাদেহ জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানটি ‘শহীদ নেতাকে বিদায়’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

ইমান আত্তারজাদেহ জানান, ৬ জুলাই রাজধানী তেহরানে আলী খামেনির জানাজার শোভাযাত্রা শুরু হবে। ৭ জুলাই পবিত্র নগরী কোমে জানাজার শোভাযাত্রা ও নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৮ জুলাই খামেনির মরদেহ ইরাকে নেওয়া হবে।

সবশেষে ৯ জুলাই, পবিত্র নগরী মাশহাদে আলী খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের মরদেহ নিয়ে শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। পরে ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে তাকে দাফন করা হবে।

গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আলী খামেনি নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর কয়েকদিন পরই ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তার ছেলে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা করা হয়।

বিদায় অনুষ্ঠান তদারকি কমিটির মুখপাত্র ইমান আত্তারজাদেহ বলেন, ইরানের শহীদ নেতাকে বিদায় শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের স্লোগান আমাদের জেগে উঠতেই হবে। শহীদ নেতার বাম হাত মুষ্টিবদ্ধ অবস্থায় দেখা যাওয়াকে দৃঢ়তা ও অটলতার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করে অনুষ্ঠানের প্রতীক হিসেবে মুষ্টিবদ্ধ হাত বেছে নেওয়া হয়েছে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। হামলার সময় তিনি তেহরানে নিজ দপ্তরে অবস্থান করছিলেন।

সূত্র: রয়টার্স

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

জুলাইয়ে খামেনির জানাজা, দাফন হবে ইরাকের মাশহাদে

Update Time : ০২:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফনের কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। বিদায় অনুষ্ঠান তদারকি কমিটির মুখপাত্র ইমান আত্তারজাদেহ জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানটি ‘শহীদ নেতাকে বিদায়’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

ইমান আত্তারজাদেহ জানান, ৬ জুলাই রাজধানী তেহরানে আলী খামেনির জানাজার শোভাযাত্রা শুরু হবে। ৭ জুলাই পবিত্র নগরী কোমে জানাজার শোভাযাত্রা ও নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৮ জুলাই খামেনির মরদেহ ইরাকে নেওয়া হবে।

সবশেষে ৯ জুলাই, পবিত্র নগরী মাশহাদে আলী খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের মরদেহ নিয়ে শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। পরে ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে তাকে দাফন করা হবে।

গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আলী খামেনি নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর কয়েকদিন পরই ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তার ছেলে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা করা হয়।

বিদায় অনুষ্ঠান তদারকি কমিটির মুখপাত্র ইমান আত্তারজাদেহ বলেন, ইরানের শহীদ নেতাকে বিদায় শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের স্লোগান আমাদের জেগে উঠতেই হবে। শহীদ নেতার বাম হাত মুষ্টিবদ্ধ অবস্থায় দেখা যাওয়াকে দৃঢ়তা ও অটলতার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করে অনুষ্ঠানের প্রতীক হিসেবে মুষ্টিবদ্ধ হাত বেছে নেওয়া হয়েছে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। হামলার সময় তিনি তেহরানে নিজ দপ্তরে অবস্থান করছিলেন।

সূত্র: রয়টার্স