ইরানের শীর্ষ ৫ কমান্ডারের অবস্থান জানালে ১ কোটি ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০২:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • 89

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) শীর্ষ পাঁচজন কমান্ডারের বিষয়ে তথ্য দিলে বড় পুরস্কার দেবে ‍যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, কিছু শর্তের ওপর ভিত্তি করে ওই পুরস্কারের মূল্য সর্বোচ্চ ১ কোটি ডলার হতে পারে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি এ ঘোষণা দেয়। শুধু তাই নয়, তথ্য প্রদানকারীদের প্রয়োজনে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে।

ওই কমান্ডারগুলো হলেন—আইআরজিসির কমান্ডার আহমাদ ভাহিদি, খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের প্রধান আলী আবদোল্লাহি, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের ড্রোন ইউনিটের কমান্ডার সাঈদ আগাজানি, আইআরজিসির সাইবার-ইলেকট্রনিক কমান্ডের প্রধান হামিদরেজা লাশগারিয়ান এবং আইআরজিসির গোয়েন্দা দপ্তরের কমান্ডার মাজিদ খাদেমি।

মার্কিন কর্মসূচিটির তথ্য অনুযায়ী, এসব কর্মকর্তা আইআরজিসির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখার নেতৃত্ব দেন। ওয়াশিংটনের দাবি, তাদের নেতৃত্বাধীন ইউনিটগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও স্থাপনার বিরুদ্ধে হামলা এবং মার্কিন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে সাইবার কার্যক্রমে জড়িত।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি আরও জানিয়েছে, তথ্য এমন হতে হবে যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান শনাক্ত করতে সহায়তা করে। তথ্যের গুরুত্ব অনুযায়ী আর্থিক পুরস্কারের পাশাপাশি নিরাপত্তার কারণে তথ্যদাতাকে স্থানান্তরের সুবিধাও দেওয়া হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ২০১৯ সালে আইআরজিসিকে ‘ফরেন টেররিস্ট অর্গানাইজেশন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। ওয়াশিংটনের ভাষ্য, ইরানের পররাষ্ট্রনীতিতে আইআরজিসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং এর বিভিন্ন শাখা ও নেটওয়ার্কের কার্যক্রম মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞা ও পুরস্কার কর্মসূচি ব্যবহার করে আসছে।

নতুন এই পুরস্কার ঘোষণা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই এলো। একই সময়ে ওয়াশিংটন ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপও বাড়াচ্ছে। ফলে আইআরজিসির শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে এই পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী চাপের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Din Mohammad

জনপ্রিয়

খুলনায় গুলি, খুন ও হামলার ধারাবাহিকতা, বাড়ছে নিরাপত্তাহীনতা

ইরানের শীর্ষ ৫ কমান্ডারের অবস্থান জানালে ১ কোটি ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র

Update Time : ০২:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) শীর্ষ পাঁচজন কমান্ডারের বিষয়ে তথ্য দিলে বড় পুরস্কার দেবে ‍যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, কিছু শর্তের ওপর ভিত্তি করে ওই পুরস্কারের মূল্য সর্বোচ্চ ১ কোটি ডলার হতে পারে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি এ ঘোষণা দেয়। শুধু তাই নয়, তথ্য প্রদানকারীদের প্রয়োজনে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে।

ওই কমান্ডারগুলো হলেন—আইআরজিসির কমান্ডার আহমাদ ভাহিদি, খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের প্রধান আলী আবদোল্লাহি, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের ড্রোন ইউনিটের কমান্ডার সাঈদ আগাজানি, আইআরজিসির সাইবার-ইলেকট্রনিক কমান্ডের প্রধান হামিদরেজা লাশগারিয়ান এবং আইআরজিসির গোয়েন্দা দপ্তরের কমান্ডার মাজিদ খাদেমি।

মার্কিন কর্মসূচিটির তথ্য অনুযায়ী, এসব কর্মকর্তা আইআরজিসির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখার নেতৃত্ব দেন। ওয়াশিংটনের দাবি, তাদের নেতৃত্বাধীন ইউনিটগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও স্থাপনার বিরুদ্ধে হামলা এবং মার্কিন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে সাইবার কার্যক্রমে জড়িত।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি আরও জানিয়েছে, তথ্য এমন হতে হবে যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান শনাক্ত করতে সহায়তা করে। তথ্যের গুরুত্ব অনুযায়ী আর্থিক পুরস্কারের পাশাপাশি নিরাপত্তার কারণে তথ্যদাতাকে স্থানান্তরের সুবিধাও দেওয়া হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ২০১৯ সালে আইআরজিসিকে ‘ফরেন টেররিস্ট অর্গানাইজেশন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। ওয়াশিংটনের ভাষ্য, ইরানের পররাষ্ট্রনীতিতে আইআরজিসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং এর বিভিন্ন শাখা ও নেটওয়ার্কের কার্যক্রম মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞা ও পুরস্কার কর্মসূচি ব্যবহার করে আসছে।

নতুন এই পুরস্কার ঘোষণা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই এলো। একই সময়ে ওয়াশিংটন ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপও বাড়াচ্ছে। ফলে আইআরজিসির শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে এই পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী চাপের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।