এক থেকে দেড় সপ্তাহে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে : রিজভী

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০১:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 30

এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে দেশে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকট কেবল সরকারের কারণে সৃষ্টি হয়নি; এর পেছনে বৈশ্বিক বিভিন্ন কারণ রয়েছে। তবে সংকট নিরসনে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে শিল্পকারখানাগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

বুধবার সকালে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনশ ফিট এলাকায় গাছের চারা রোপণ শেষে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী আরও বলেন, আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে মিল-কারখানাগুলোর জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে। এর ফলে শিল্প উৎপাদন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বিদ্যমান সংকটও ধীরে ধীরে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এলএনজি আমদানির বিষয়টি তুলে ধরে রিজভী বলেন, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার জন্য সরকার ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও কার্যক্রম গ্রহণ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে রিজভী বলেন, বর্তমান সংকটকে দীর্ঘস্থায়ী হতে দেয়া হবে না। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে তৈরি হওয়া এই সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এসময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি দেশের নদী, খাল ও বিলগুলোকে দূষণমুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রিজভী বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, দেশের নদী-নালা, খাল-বিলসহ জলাধারগুলোও বিষাক্ত ও দূষণমুক্ত রাখতে হবে। পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি জলাশয় সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

পরিবেশ রক্ষার এই কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

এক থেকে দেড় সপ্তাহে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে : রিজভী

Update Time : ০১:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে দেশে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকট কেবল সরকারের কারণে সৃষ্টি হয়নি; এর পেছনে বৈশ্বিক বিভিন্ন কারণ রয়েছে। তবে সংকট নিরসনে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে শিল্পকারখানাগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

বুধবার সকালে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনশ ফিট এলাকায় গাছের চারা রোপণ শেষে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী আরও বলেন, আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে মিল-কারখানাগুলোর জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে। এর ফলে শিল্প উৎপাদন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বিদ্যমান সংকটও ধীরে ধীরে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এলএনজি আমদানির বিষয়টি তুলে ধরে রিজভী বলেন, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার জন্য সরকার ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও কার্যক্রম গ্রহণ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে রিজভী বলেন, বর্তমান সংকটকে দীর্ঘস্থায়ী হতে দেয়া হবে না। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে তৈরি হওয়া এই সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এসময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি দেশের নদী, খাল ও বিলগুলোকে দূষণমুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রিজভী বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, দেশের নদী-নালা, খাল-বিলসহ জলাধারগুলোও বিষাক্ত ও দূষণমুক্ত রাখতে হবে। পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি জলাশয় সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

পরিবেশ রক্ষার এই কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন।