নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২২৫, নিখোঁজ ৪৭৫৭

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৩:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 24

চীন-নেপাল সীমান্তের হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও হড়পা বানে নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২০৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ২১৬ জন। একই দুর্যোগে সীমান্তের তিব্বত অংশে ২১ জন নিহত এবং ৫৪১ জন নিখোঁজ হয়েছেন। ফলে দুই দেশ মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২২৫ এবং নিখোঁজ ৪ হাজার ৭৫৭ জনে।

বুধবার নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এসব তথ্য জানিয়েছে।

গত ২৬ আগস্ট নেপাল-চীন সীমান্তের পার্বত্য এলাকায় বরফ ও পাথরের বিশাল অংশ ধসে পড়ে। এতে লেন্দে খোলা নদীতে বিপুল পরিমাণ পানি ও পাথর জমে বাঁধ সৃষ্টি হয়। পরে সেই বাঁধ ভেঙে ভয়াবহ স্রোত ভোতে কোশি বা ত্রিশূলী নদীতে নেমে আসে। এতে বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে।

বন্যায় নেপালের তিনটি জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রবল স্রোতে মানুষ, গবাদিপশু, ঘরবাড়ি ও সরকারি স্থাপনা ভেসে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎ প্রকল্পও।

পাহাড়ি নদী, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ধসে পড়া ঘরবাড়ির ধ্বংসস্তূপে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা বেশি হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দুর্যোগের ভয়াবহতায় নেপালের বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠন ও নিখোঁজদের উদ্ধারে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২২৫, নিখোঁজ ৪৭৫৭

Update Time : ০৩:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চীন-নেপাল সীমান্তের হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও হড়পা বানে নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২০৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ২১৬ জন। একই দুর্যোগে সীমান্তের তিব্বত অংশে ২১ জন নিহত এবং ৫৪১ জন নিখোঁজ হয়েছেন। ফলে দুই দেশ মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২২৫ এবং নিখোঁজ ৪ হাজার ৭৫৭ জনে।

বুধবার নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এসব তথ্য জানিয়েছে।

গত ২৬ আগস্ট নেপাল-চীন সীমান্তের পার্বত্য এলাকায় বরফ ও পাথরের বিশাল অংশ ধসে পড়ে। এতে লেন্দে খোলা নদীতে বিপুল পরিমাণ পানি ও পাথর জমে বাঁধ সৃষ্টি হয়। পরে সেই বাঁধ ভেঙে ভয়াবহ স্রোত ভোতে কোশি বা ত্রিশূলী নদীতে নেমে আসে। এতে বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে।

বন্যায় নেপালের তিনটি জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রবল স্রোতে মানুষ, গবাদিপশু, ঘরবাড়ি ও সরকারি স্থাপনা ভেসে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎ প্রকল্পও।

পাহাড়ি নদী, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ধসে পড়া ঘরবাড়ির ধ্বংসস্তূপে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা বেশি হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দুর্যোগের ভয়াবহতায় নেপালের বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠন ও নিখোঁজদের উদ্ধারে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।