দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধিঃ
খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার ৪নং কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রবীর মন্ডল ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল বের হয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এসে সমবেত হয়।
বিক্ষোভকারীরা ঝাড়ু মিছিলসহ বিভিন্ন প্লাকার্ড হাতে নিয়ে স্লোগান দেয়। প্লাকার্ডে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অত্যাচার-নিপীড়ন, স্বেচ্ছাচারিতা এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন না করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তোলা হয়। তারা দাবি করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও প্রভাব খাটিয়ে নানা অনিয়ম করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২৬ সালের ৪ মার্চ মোটা অংকের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রশাসক বাতিল করে প্রবীর মন্ডল ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন। এর আগে ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান আত্মগোপনে গেলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একজন প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে প্রায় ছয় মাস নাগরিক সেবা সচল রাখা হয়। কিন্তু পরে প্রশাসককে সরিয়ে পুনরায় প্রবীর মন্ডলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, যা নিয়ে এলাকায় অসন্তোষ সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে গত ৯ মার্চ জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগও জমা দিয়েছে বলে জানাগেছে।
প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে বিক্ষোভকারীরা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে অবস্থান নেয়। এ সময় খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান মুঠোফোনে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি অভিযোগগুলো শুনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দেন এবং দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শনের কথা জানান।
অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রবীর মন্ডল বলেন, একজন মুরুব্বিকে মারধরের ঘটনার বিচার করতে গেলে একটি পক্ষ আমার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে।
খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান জানান, মব সৃষ্টি করে কোন কিছু করা যাবে না। আমি বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
Reporter Name 





















