গুলিতে আহত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ কাইল্লা পলাশ মারা গেছেন

রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা পলাশ’।

শুক্রবার (২০ জুন) রাত ১টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি মারা যান।

হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পলাশের বাবার নাম ইউনুস খান। তার বাড়ি রাজধানীর পশ্চিম রামপুরায়। তিনি যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান হত্যা মামলায় দণ্ডিত ছিলেন।

পলাশ এক মাস আগে কারাগার থেকে মুক্তি পান।

গত ১২ জুন জুমার নামাজের পর রামপুরা ব্রিজ-সংলগ্ন একরামুন্নেছা বালক উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে পলাশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, জুমার নামাজ পড়ে নিজ বাসভবনের নিচে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন পলাশ। এ সময় আগে থেকে অপেক্ষায় থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। পরপর তাকে দুই রাউন্ড গুলি করা হলে এক রাউন্ড গুলি তার মাথা ভেদ করে বের হয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

যুক্তরাজ্যে দুই ট্রেনের সংঘর্ষ : চালক নিহত, আহত ৮৯ জন

গুলিতে আহত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ কাইল্লা পলাশ মারা গেছেন

Update Time : ০৩:০৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা পলাশ’।

শুক্রবার (২০ জুন) রাত ১টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি মারা যান।

হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পলাশের বাবার নাম ইউনুস খান। তার বাড়ি রাজধানীর পশ্চিম রামপুরায়। তিনি যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান হত্যা মামলায় দণ্ডিত ছিলেন।

পলাশ এক মাস আগে কারাগার থেকে মুক্তি পান।

গত ১২ জুন জুমার নামাজের পর রামপুরা ব্রিজ-সংলগ্ন একরামুন্নেছা বালক উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে পলাশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, জুমার নামাজ পড়ে নিজ বাসভবনের নিচে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন পলাশ। এ সময় আগে থেকে অপেক্ষায় থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। পরপর তাকে দুই রাউন্ড গুলি করা হলে এক রাউন্ড গুলি তার মাথা ভেদ করে বের হয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।