টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধস: লামায় ৫, চকরিয়ায় ২ জন নিহত

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১০:৪৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • 28

টানা ভারী বর্ষণের কারণে বান্দরবানের লামা ও কক্সবাজারের চকরিয়ায় পৃথক পাহাড়ধসে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে লামায় একই পরিবারের তিনজন রয়েছেন। এছাড়া চকরিয়ায় পাহাড়ধসে দুই শিশুর মৃত্যু এবং তাদের মা আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়া (পাগলির ঝিরি) এলাকায় পাহাড়ধসে পাঁচজন নিহত হন। নিহতরা হলেন— মো. ইউনুস (৪০), তার স্ত্রী রানু আক্তার (৩৫), ছেলে মো. সোলেমান (৫), মো. জুয়েল (৩৪) ও কুলছুমা আক্তার (২৫)। এর মধ্যে প্রথম তিনজন একই পরিবারের সদস্য এবং জুয়েল ও কুলছুমা স্বামী-স্ত্রী।

স্থানীয়দের ভাষ্য, টানা বৃষ্টির মধ্যে ভোরে পাহাড়ের মাটি ধসে বসতঘরের ওপর পড়ে। চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এলেও এর আগেই পাঁচজন মাটিচাপা পড়ে মারা যান। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।

অন্যদিকে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মছনিয়াকাটা এলাকায় পৃথক পাহাড়ধসে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং তাদের মা আহত হয়েছেন। আহত নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

টানা বর্ষণের কারণে বান্দরবান ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধস: লামায় ৫, চকরিয়ায় ২ জন নিহত

Update Time : ১০:৪৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

টানা ভারী বর্ষণের কারণে বান্দরবানের লামা ও কক্সবাজারের চকরিয়ায় পৃথক পাহাড়ধসে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে লামায় একই পরিবারের তিনজন রয়েছেন। এছাড়া চকরিয়ায় পাহাড়ধসে দুই শিশুর মৃত্যু এবং তাদের মা আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়া (পাগলির ঝিরি) এলাকায় পাহাড়ধসে পাঁচজন নিহত হন। নিহতরা হলেন— মো. ইউনুস (৪০), তার স্ত্রী রানু আক্তার (৩৫), ছেলে মো. সোলেমান (৫), মো. জুয়েল (৩৪) ও কুলছুমা আক্তার (২৫)। এর মধ্যে প্রথম তিনজন একই পরিবারের সদস্য এবং জুয়েল ও কুলছুমা স্বামী-স্ত্রী।

স্থানীয়দের ভাষ্য, টানা বৃষ্টির মধ্যে ভোরে পাহাড়ের মাটি ধসে বসতঘরের ওপর পড়ে। চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এলেও এর আগেই পাঁচজন মাটিচাপা পড়ে মারা যান। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।

অন্যদিকে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মছনিয়াকাটা এলাকায় পৃথক পাহাড়ধসে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং তাদের মা আহত হয়েছেন। আহত নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

টানা বর্ষণের কারণে বান্দরবান ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।