নামাজের জন্য খুলে দেয়া হলো ৬০০ বছরের পুরনো মসজিদ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:২৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০২৪
  • 141

আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে আজ নামাজের জন্য আবারো খুলে দেয়া হয়েছে তুরস্কের আন্তালইয়া অঞ্চলের সারিহাসিলার নামের একটি মসজিদ।

জানা যায়, ৬০০ বছর পুরনো এ মসজিদটি সংস্কারের জন্য ২০১৯ সালে কাজ ধরা হয়। তবে করোনা মহামারিসহ বিভিন্ন কারণে সংস্কার কাজ দীর্ঘ হয়। অবশেষে সব কাজ শেষে মসজিদটি আবারো খুলে দেয়া হয়েছে।

সারিহাসিলার গ্রাম সংস্কৃতি ও পর্যটন অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মেহমেত ওরহান কেন বলেছেন, সংস্কার কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালে। এটি সম্পন্ন হতে ১৮ মাস সময় লাগার কথা ছিল। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে সংস্কারের সময় তিন বছর বৃদ্ধি করা হয়। এখন এটি সম্পন্ন হয়েছে এবং নামাজের জন্য মসজিদটি আবারো খুলে দেয়া হয়েছে।

৬০০ বছর আগে মসজিদটির যে মিরহাব, মিম্বর ও গম্বুজ তৈরি করা হয়েছিল সেগুলো এখনো আছে।

মসজিদটির কাঠের তৈরি ছাদ, দুর্বল হয়ে যাওয়া দেওয়াল, মেঝে এবং বিশ্রাম করার জায়গা খুবই সতর্কতার সাথে সংস্কার করা হয়েছে।

পুরনো এ মসজিদটির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এটির মিরহাব, মেঝে, ছাদ, দরজা, জানালা, নারীদের স্থান, মিম্বর সবকিছু কাঠের তৈরি। ধারণা করা হয় আনাতোলিয়ান সেলজুক আমলে এটি তৈরি হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Din Mohammad

জনপ্রিয়

বিএনপি নেতাদের নামে অপতথ্য ছড়ানোর অভিযোগ বহিষ্কৃত এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে

নামাজের জন্য খুলে দেয়া হলো ৬০০ বছরের পুরনো মসজিদ

Update Time : ১১:২৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০২৪

আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে আজ নামাজের জন্য আবারো খুলে দেয়া হয়েছে তুরস্কের আন্তালইয়া অঞ্চলের সারিহাসিলার নামের একটি মসজিদ।

জানা যায়, ৬০০ বছর পুরনো এ মসজিদটি সংস্কারের জন্য ২০১৯ সালে কাজ ধরা হয়। তবে করোনা মহামারিসহ বিভিন্ন কারণে সংস্কার কাজ দীর্ঘ হয়। অবশেষে সব কাজ শেষে মসজিদটি আবারো খুলে দেয়া হয়েছে।

সারিহাসিলার গ্রাম সংস্কৃতি ও পর্যটন অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মেহমেত ওরহান কেন বলেছেন, সংস্কার কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালে। এটি সম্পন্ন হতে ১৮ মাস সময় লাগার কথা ছিল। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে সংস্কারের সময় তিন বছর বৃদ্ধি করা হয়। এখন এটি সম্পন্ন হয়েছে এবং নামাজের জন্য মসজিদটি আবারো খুলে দেয়া হয়েছে।

৬০০ বছর আগে মসজিদটির যে মিরহাব, মিম্বর ও গম্বুজ তৈরি করা হয়েছিল সেগুলো এখনো আছে।

মসজিদটির কাঠের তৈরি ছাদ, দুর্বল হয়ে যাওয়া দেওয়াল, মেঝে এবং বিশ্রাম করার জায়গা খুবই সতর্কতার সাথে সংস্কার করা হয়েছে।

পুরনো এ মসজিদটির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এটির মিরহাব, মেঝে, ছাদ, দরজা, জানালা, নারীদের স্থান, মিম্বর সবকিছু কাঠের তৈরি। ধারণা করা হয় আনাতোলিয়ান সেলজুক আমলে এটি তৈরি হয়।