মাশহাদে ইমাম রেজা (আ.) মাজারে সমাহিত হলেন আয়াতুল্লাহ খামেনি

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৪:২০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • 114

এক সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনিকে মাশহাদের পবিত্র ইমাম রেজা (আ.) মাজার প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে মাজারের দার আল-জিকর কক্ষে দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে জানাজা ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে তার মরদেহবাহী কফিন ইমাম রেজা (আ.)-এর রওজার চারপাশে প্রদক্ষিণ করানো হয়।

পবিত্র মাজারের পায়ামবারে আজম (সা.) প্রাঙ্গণে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিশেষ বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দাফনের পর ইরানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসল্লিরা লাইলাতুল দাফনের নামাজ আদায় করেন।

বৃহস্পতিবার সকালে মাশহাদে আয়োজিত শেষ শোকযাত্রায় লাখো মানুষ অংশ নেন। মরদেহবাহী গাড়িকে ঘিরে শহরের প্রধান সড়কগুলো জনসমুদ্রে পরিণত হয়। আয়াতুল্লাহ খামেনির জ্যেষ্ঠ পুত্র সাইয়্যেদ মোস্তফা খামেনি জানাজার নামাজে ইমামতি করেন।

বিপুল জনসমাগমের কারণে শুধু মাজার প্রাঙ্গণেই নয়, নওয়াব সাফাভি, তাবারসি ও শিরাজি সড়কেও জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। শোকযাত্রায় বিভিন্ন স্লোগানের পাশাপাশি ‘ইয়া লাসারাতিল হুসাইন’ লেখা লাল পতাকা বহন করেন অংশগ্রহণকারীরা।

গত শুক্রবার শুরু হওয়া শোকানুষ্ঠানে ৪৫টিরও বেশি দেশের রাজনৈতিক প্রতিনিধি এবং ৯০টিরও বেশি দেশের ধর্মীয় আলেম অংশ নেন। এরপর তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় লাখো মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান। সোমবার তেহরানে বিশাল শোকমিছিল এবং মঙ্গলবার কোম ও জামকারান মসজিদে পৃথক শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র: প্রেস টিভি

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

মাশহাদে ইমাম রেজা (আ.) মাজারে সমাহিত হলেন আয়াতুল্লাহ খামেনি

Update Time : ০৪:২০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

এক সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনিকে মাশহাদের পবিত্র ইমাম রেজা (আ.) মাজার প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে মাজারের দার আল-জিকর কক্ষে দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে জানাজা ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে তার মরদেহবাহী কফিন ইমাম রেজা (আ.)-এর রওজার চারপাশে প্রদক্ষিণ করানো হয়।

পবিত্র মাজারের পায়ামবারে আজম (সা.) প্রাঙ্গণে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিশেষ বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দাফনের পর ইরানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসল্লিরা লাইলাতুল দাফনের নামাজ আদায় করেন।

বৃহস্পতিবার সকালে মাশহাদে আয়োজিত শেষ শোকযাত্রায় লাখো মানুষ অংশ নেন। মরদেহবাহী গাড়িকে ঘিরে শহরের প্রধান সড়কগুলো জনসমুদ্রে পরিণত হয়। আয়াতুল্লাহ খামেনির জ্যেষ্ঠ পুত্র সাইয়্যেদ মোস্তফা খামেনি জানাজার নামাজে ইমামতি করেন।

বিপুল জনসমাগমের কারণে শুধু মাজার প্রাঙ্গণেই নয়, নওয়াব সাফাভি, তাবারসি ও শিরাজি সড়কেও জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। শোকযাত্রায় বিভিন্ন স্লোগানের পাশাপাশি ‘ইয়া লাসারাতিল হুসাইন’ লেখা লাল পতাকা বহন করেন অংশগ্রহণকারীরা।

গত শুক্রবার শুরু হওয়া শোকানুষ্ঠানে ৪৫টিরও বেশি দেশের রাজনৈতিক প্রতিনিধি এবং ৯০টিরও বেশি দেশের ধর্মীয় আলেম অংশ নেন। এরপর তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় লাখো মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান। সোমবার তেহরানে বিশাল শোকমিছিল এবং মঙ্গলবার কোম ও জামকারান মসজিদে পৃথক শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র: প্রেস টিভি