বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ দেশি-বিদেশি মোট ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সংস্থাটি মামলার প্রায় ১০ হাজার পৃষ্ঠার খসড়া অভিযোগপত্র (চার্জশিট) প্রস্তুত করে আইনি পরামর্শের জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে পাঠিয়েছে।
সিআইডির মুখপাত্র জসীমউদ্দিন খান জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলার তদন্ত শেষে খসড়া অভিযোগপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে এবং তা চূড়ান্ত আইনি মতামতের জন্য পাঠানো হয়েছে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে হ্যাকাররা নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে ১০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার চুরি করে। এর মধ্যে ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংকের চারটি হিসাবে স্থানান্তর করা হয় এবং ২০ মিলিয়ন ডলার শ্রীলঙ্কার একটি ব্যাংকে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়।
তবে বানানগত ভুলের কারণে শ্রীলঙ্কায় অর্থ স্থানান্তরের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক ফিলিপাইন থেকে প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলার উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে মামলাটি সিআইডির তদন্তাধীন রয়েছে।
এর আগে সিআইডি জানিয়েছিল, ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংকে থাকা ৮১ মিলিয়ন ডলার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে অর্থ দেশে ফেরত আনার উদ্যোগ চলছে।
ডেস্ক নিউজ 




















