চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪.৮ শতাংশ : বিশ্বব্যাংক

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০২:০৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
  • 386

বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি টিকিয়ে রাখতে সময়োপযোগী সংস্কার প্রয়োজন বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। গত অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ শতাংশ। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা বেড়ে ৬ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) ঢাকায় সংস্থাটির বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অর্থবছরের প্রথমার্ধে কিছুটা বিপর্যয় দেখা দিলেও দ্বিতীয়ার্ধে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। রপ্তানি, রেমিট্যান্স প্রবাহ ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে ইতিবাচক গতি এসেছে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, বাংলাদেশ মধ্যমেয়াদে প্রবৃদ্ধির ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান (বিশেষত তরুণ ও নারীদের জন্য) নিশ্চিত করতে কার্যকর সংস্কার অপরিহার্য। বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালু হলেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখনো চাপের মধ্যে রয়েছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতি দৃঢ়তা দেখিয়েছে, তবে এই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সংস্কার জরুরি। রাজস্ব বৃদ্ধি, জ্বালানি ভর্তুকি হ্রাস ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করে আরও ভালো কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪.৮ শতাংশ : বিশ্বব্যাংক

Update Time : ০২:০৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি টিকিয়ে রাখতে সময়োপযোগী সংস্কার প্রয়োজন বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। গত অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ শতাংশ। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা বেড়ে ৬ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) ঢাকায় সংস্থাটির বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অর্থবছরের প্রথমার্ধে কিছুটা বিপর্যয় দেখা দিলেও দ্বিতীয়ার্ধে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। রপ্তানি, রেমিট্যান্স প্রবাহ ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে ইতিবাচক গতি এসেছে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, বাংলাদেশ মধ্যমেয়াদে প্রবৃদ্ধির ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান (বিশেষত তরুণ ও নারীদের জন্য) নিশ্চিত করতে কার্যকর সংস্কার অপরিহার্য। বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালু হলেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখনো চাপের মধ্যে রয়েছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতি দৃঢ়তা দেখিয়েছে, তবে এই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সংস্কার জরুরি। রাজস্ব বৃদ্ধি, জ্বালানি ভর্তুকি হ্রাস ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করে আরও ভালো কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে।”