তদন্তে প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ মিললে পরীক্ষা বাতিল : প্রাথমিকের ডিজি

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১০:৪৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • 208

সদ্য অনুষ্ঠিত প্রাথমিক স্কুলে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, জালিয়াতি, অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন নিয়োগপ্রত্যাশীরা। তাদের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে অভিযোগের তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান।

শামসুজ্জামান জানান, চাকরিপ্রার্থীরা আমাদের কাছে পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তাই বিষয়টি তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরীক্ষা বাতিল করা হবে।

তিনি বলেন, ‘এর আগেও দুটি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল। কিন্তু অনিয়ম না পাওয়া গেলে আমরা ফল প্রকাশ করব।’

নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অপচেষ্টা হয়েছে জানিয়ে প্রাথমিকের ডিজি বলেন, ‘প্রশ্নফাঁসের অপচেষ্টা যে হয়েছে, তা অস্বীকার করা যাবে না। তবে পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত ডিজিএফআই, এনএসআই, ডিবি, এসবি এবং জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে যেসব প্রশ্ন উদ্ধার করা হয়েছিল, সেগুলোর সঙ্গে আমাদের প্রশ্নের কোনো মিল ছিল না। এতে প্রতীয়মান হয়, প্রশ্নফাঁস হয়নি। তারপরও আমরা তদন্ত করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষায় নকলের চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্নফাঁস হয়নি। এ ধরনের নকলের দায়ে ২০৭ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অনেক জায়গায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজাও দেওয়া হয়েছে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Din Mohammad

বাণিজ্য মেলার প্রধান ফটক ভেঙে ক্যাম্পাসে ফিরলেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা

তদন্তে প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ মিললে পরীক্ষা বাতিল : প্রাথমিকের ডিজি

Update Time : ১০:৪৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

সদ্য অনুষ্ঠিত প্রাথমিক স্কুলে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, জালিয়াতি, অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন নিয়োগপ্রত্যাশীরা। তাদের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে অভিযোগের তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান।

শামসুজ্জামান জানান, চাকরিপ্রার্থীরা আমাদের কাছে পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তাই বিষয়টি তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরীক্ষা বাতিল করা হবে।

তিনি বলেন, ‘এর আগেও দুটি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল। কিন্তু অনিয়ম না পাওয়া গেলে আমরা ফল প্রকাশ করব।’

নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অপচেষ্টা হয়েছে জানিয়ে প্রাথমিকের ডিজি বলেন, ‘প্রশ্নফাঁসের অপচেষ্টা যে হয়েছে, তা অস্বীকার করা যাবে না। তবে পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত ডিজিএফআই, এনএসআই, ডিবি, এসবি এবং জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে যেসব প্রশ্ন উদ্ধার করা হয়েছিল, সেগুলোর সঙ্গে আমাদের প্রশ্নের কোনো মিল ছিল না। এতে প্রতীয়মান হয়, প্রশ্নফাঁস হয়নি। তারপরও আমরা তদন্ত করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষায় নকলের চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্নফাঁস হয়নি। এ ধরনের নকলের দায়ে ২০৭ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অনেক জায়গায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজাও দেওয়া হয়েছে।’