রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তারেক রহমান-কে সরকারের প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে নতুন সরকার গঠনের ফলে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে গেছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ সদস্যের আস্থাভাজন হিসেবে তাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ দিয়েছেন এবং তার নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনে সম্মতি দিয়েছেন।
এদিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ শুরু হয় এবং রাষ্ট্রপতি শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ শেষে করমর্দনের মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানানো হয় এবং তিনি শপথপত্রে স্বাক্ষর করে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত আসন গ্রহণ করেন।
এরপর মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম), আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান, আবদুল আওয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মো. আমিনুর রশিদ, আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবীব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দিপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম ও শেখ রবিউল আলম।
মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ শেষে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ হয় এবং পরদিন ২৯৭ আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয় পায় এবং ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও দলটির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছে। তাদের শরিকরা তিনটি আসন পায়। অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন লাভ করে এবং তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের অন্যান্য শরিকরা নয়টি আসনে জয়ী হয়।
ডেস্ক নিউজ 











