নোবেলের প্রাক্তন স্ত্রী সালসাবিলকে প্রাণনাশের হুমকি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:২৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ মে ২০২৩
  • 227

বিনোদন ডেস্ক
গত বৃহস্পতিবার (৪ মে) সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলকে চূড়ান্তভাবে ডিভোর্স দেওয়ার কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করেন তার সদ্য প্রাক্তন স্ত্রী সালসাবিল মাহমুদ। সেখানে তিনি সবিস্তারে জানান কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। পাশাপাশি এও জানান, নোবেলের এই অবস্থার জন্য শুধু সে একাই দায়ী নয়, হাত আছে ক্ষমতাশীলদেরও। বলেছিলেন, ‘দরকার হলে নাম বলব।’এরপর এক দিন যেতে না যেতেই ফের মুখ খুললেন সালসাবিল। জানালেন, গত ২৪ ঘণ্টা ধরে ক্ষমতাধর ড্রাগ মাফিয়াদের কাছ থেকে শ খানেক কল পেয়েছেন তিনি। যেখানে তাকে সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৫ মে) সালসাবিল তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘আমি নাকি কত বড় ভুল করে ফেলেছি, নিজেও জানি না। আমাকে গুম করা তাদের ২ মিনিটেরও বিষয় না। কোনো আইন তাদের কিছু করতে পারবে না, আইন তারা পকেটে রাখে।’তাকে ঠিক কী বলা হলো, সেটাও জানান নোবেল প্রাক্তন। তার লেখায়, ‘তোমাদের (নোবেল-সালসাবিল) পারসোনাল বিষয় পর্যন্ত ঠিক ছিল। এর বেশি তুমি কেন কথা বলতে গেলা? বাংলাদেশ ড্রাগ ছাড়া অচল। সব পাবলিক ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টরা ড্রাগস নেয়, কই তাদের ফ্যামিলি তো পাবলিকলি কিছু বলছে না? তুমি কেন এসব নিয়ে কথা বলতে গেছো? যদি আমাদের কারো নাম সামনে আসে, তোমাকে রাস্তায় শুট করা হবে। নাহলে ২ মিনিটে গুম করে দেওয়া হবে।’এর আগে ডিভোর্সের ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমকে সালসাবিল বলেছিলেন, ‘তালাকের চিঠি আগেই দিয়েছিলাম। তালাক কার্যকর হতে তিনমাস সময় লাগে। কিন্তু চাইলে সেটাকে স্থগিত করা যায়। আমি নোবেলের পরিবর্তন আশা করে সেটাকে স্থগিত রেখেছিলাম। আজ সকালে (বৃহস্পতিবার) সেটা কার্যকর করেছি।’
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১৫ নভেম্বর ভালোবেসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন নোবেল ও সালসাবিল। এরপর ২০২১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নোবেলকে ডিভোর্স লেটার পাঠান সালসাবিল। মাঝখানে দুজনের মধ্যে মীমাংসা হলে ডিভোর্স রেজিস্ট্রেশন সাময়িক স্থগিত (হোল্ড) রাখেন। এরপর সেটা চূড়ান্তভাবে কার্যকর করেন চলতি বছরের ৪ মে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে বেনজীরের প্রয়োজনীয় নথিপত্র

নোবেলের প্রাক্তন স্ত্রী সালসাবিলকে প্রাণনাশের হুমকি

Update Time : ০৪:২৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ মে ২০২৩

বিনোদন ডেস্ক
গত বৃহস্পতিবার (৪ মে) সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলকে চূড়ান্তভাবে ডিভোর্স দেওয়ার কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করেন তার সদ্য প্রাক্তন স্ত্রী সালসাবিল মাহমুদ। সেখানে তিনি সবিস্তারে জানান কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। পাশাপাশি এও জানান, নোবেলের এই অবস্থার জন্য শুধু সে একাই দায়ী নয়, হাত আছে ক্ষমতাশীলদেরও। বলেছিলেন, ‘দরকার হলে নাম বলব।’এরপর এক দিন যেতে না যেতেই ফের মুখ খুললেন সালসাবিল। জানালেন, গত ২৪ ঘণ্টা ধরে ক্ষমতাধর ড্রাগ মাফিয়াদের কাছ থেকে শ খানেক কল পেয়েছেন তিনি। যেখানে তাকে সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৫ মে) সালসাবিল তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘আমি নাকি কত বড় ভুল করে ফেলেছি, নিজেও জানি না। আমাকে গুম করা তাদের ২ মিনিটেরও বিষয় না। কোনো আইন তাদের কিছু করতে পারবে না, আইন তারা পকেটে রাখে।’তাকে ঠিক কী বলা হলো, সেটাও জানান নোবেল প্রাক্তন। তার লেখায়, ‘তোমাদের (নোবেল-সালসাবিল) পারসোনাল বিষয় পর্যন্ত ঠিক ছিল। এর বেশি তুমি কেন কথা বলতে গেলা? বাংলাদেশ ড্রাগ ছাড়া অচল। সব পাবলিক ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টরা ড্রাগস নেয়, কই তাদের ফ্যামিলি তো পাবলিকলি কিছু বলছে না? তুমি কেন এসব নিয়ে কথা বলতে গেছো? যদি আমাদের কারো নাম সামনে আসে, তোমাকে রাস্তায় শুট করা হবে। নাহলে ২ মিনিটে গুম করে দেওয়া হবে।’এর আগে ডিভোর্সের ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমকে সালসাবিল বলেছিলেন, ‘তালাকের চিঠি আগেই দিয়েছিলাম। তালাক কার্যকর হতে তিনমাস সময় লাগে। কিন্তু চাইলে সেটাকে স্থগিত করা যায়। আমি নোবেলের পরিবর্তন আশা করে সেটাকে স্থগিত রেখেছিলাম। আজ সকালে (বৃহস্পতিবার) সেটা কার্যকর করেছি।’
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১৫ নভেম্বর ভালোবেসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন নোবেল ও সালসাবিল। এরপর ২০২১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নোবেলকে ডিভোর্স লেটার পাঠান সালসাবিল। মাঝখানে দুজনের মধ্যে মীমাংসা হলে ডিভোর্স রেজিস্ট্রেশন সাময়িক স্থগিত (হোল্ড) রাখেন। এরপর সেটা চূড়ান্তভাবে কার্যকর করেন চলতি বছরের ৪ মে।