অপহরণের নাটক সাজানোর কথা স্বীকার করলেন মুফতি মুহিব্বুল্লাহ

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:২৩:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • 140

গাজীপুরের টঙ্গীর টিঅ্যান্ডটি কলোনি জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজী (৬০) স্বীকার করেছেন যে, তিনি নিজেই অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীর ফেসবুক লাইভে যোগ দিয়ে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন। লাইভে মুহিব্বুল্লাহর মেয়ে জানান, তার ভাইয়ের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছেন— তাদের বাবা নিজেই স্বীকার করেছেন যে সব কিছু নিজের ইচ্ছায় করেছেন।

পরে রাত আড়াইটার দিকে বিক্রমপুরী আবার লাইভে আসেন। সে সময় পুলিশের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়। পুলিশ জানায়, তিনি চাইলে মসজিদের ভেতরে যেতে পারেন, তবে সঙ্গে সর্বোচ্চ একজন মুরিদ নিতে পারবেন।

ঠিক সেই সময় বিক্রমপুরীর মোবাইলে ফোন আসে মুহিব্বুল্লাহর ছোট ছেলের কাছ থেকে। ফোনে মুহিব্বুল্লাহ নিজেই বলেন, “আমি নিজেই সব করেছি। নিজের পরিকল্পনায় পঞ্চগড়ে গিয়েছি, গুম হওয়ার অভিনয় করেছি, ঘটনাটি ভাইরাল করেছি। তাই তোমরা আর এই বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না।”

এর আগে মুফতি মুহিব্বুল্লাহ দাবি করেছিলেন, ২২ অক্টোবর সকালে টঙ্গীর শিলমুন এলাকায় তাকে অপহরণ করে একটি অ্যাম্বুলেন্সে তুলে নেওয়া হয় এবং পরদিন পঞ্চগড়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও বলেছিলেন, অপহরণের আগে একাধিক উড়ো চিঠিতে হুমকি পেয়েছিলেন এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।

কিন্তু তদন্তে বেরিয়ে আসে, ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ সাজানো নাটক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Din Mohammad

জনপ্রিয়

ডিসেম্বরে নির্ধারণ হবে পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি

অপহরণের নাটক সাজানোর কথা স্বীকার করলেন মুফতি মুহিব্বুল্লাহ

Update Time : ১১:২৩:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

গাজীপুরের টঙ্গীর টিঅ্যান্ডটি কলোনি জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজী (৬০) স্বীকার করেছেন যে, তিনি নিজেই অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীর ফেসবুক লাইভে যোগ দিয়ে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন। লাইভে মুহিব্বুল্লাহর মেয়ে জানান, তার ভাইয়ের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছেন— তাদের বাবা নিজেই স্বীকার করেছেন যে সব কিছু নিজের ইচ্ছায় করেছেন।

পরে রাত আড়াইটার দিকে বিক্রমপুরী আবার লাইভে আসেন। সে সময় পুলিশের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়। পুলিশ জানায়, তিনি চাইলে মসজিদের ভেতরে যেতে পারেন, তবে সঙ্গে সর্বোচ্চ একজন মুরিদ নিতে পারবেন।

ঠিক সেই সময় বিক্রমপুরীর মোবাইলে ফোন আসে মুহিব্বুল্লাহর ছোট ছেলের কাছ থেকে। ফোনে মুহিব্বুল্লাহ নিজেই বলেন, “আমি নিজেই সব করেছি। নিজের পরিকল্পনায় পঞ্চগড়ে গিয়েছি, গুম হওয়ার অভিনয় করেছি, ঘটনাটি ভাইরাল করেছি। তাই তোমরা আর এই বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না।”

এর আগে মুফতি মুহিব্বুল্লাহ দাবি করেছিলেন, ২২ অক্টোবর সকালে টঙ্গীর শিলমুন এলাকায় তাকে অপহরণ করে একটি অ্যাম্বুলেন্সে তুলে নেওয়া হয় এবং পরদিন পঞ্চগড়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও বলেছিলেন, অপহরণের আগে একাধিক উড়ো চিঠিতে হুমকি পেয়েছিলেন এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।

কিন্তু তদন্তে বেরিয়ে আসে, ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ সাজানো নাটক।