সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা পরিচালনায় কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইউটিউব, ফেসবুকসহ সব ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচারণা চালাতে হলে আগে থেকেই অ্যাকাউন্টসংক্রান্ত তথ্য জমা দেওয়া এবং বিজ্ঞাপন, বুস্টিং ও স্পন্সরশিপসহ সব ব্যয় নির্বাচনী হিসাবের অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, এ বিষয়ে একটি চিঠি দেশের সব রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধান কঠোরভাবে প্রতিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।
চিঠি অনুযায়ী, আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৬ অনুসারে— কোনো প্রার্থী, তার নির্বাচনী এজেন্ট অথবা তার পক্ষে অন্য কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন। তবে প্রচারণা শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইলসহ শনাক্তকরণ তথ্য রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিল করতে হবে।
এছাড়া বিধি ২২(২) অনুযায়ী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন, বুস্টিং ও স্পন্সরশিপে যে ব্যয় হবে, তা নির্বাচনী ব্যয়ের অংশ হিসেবে গণ্য হবে এবং নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হবে।
ইসি আরও জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণায় ব্যয়িত অর্থ অবশ্যই নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবের অন্তর্ভুক্ত করে রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে কোন রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী কোন কোন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছে, সে তথ্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখায় পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার 












