বর্জনের ঘোষণা দিলেও নির্বাচনের মাঠে ছিলেন আ’লীগ নেতাকর্মীরা : টিআইবি

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০২:৩৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 200

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিলেও দলের কিছু নেতাকর্মী মাঠে উপস্থিত ছিলেন এবং নির্বাচনি কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন।

সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় দলটির কার্যক্রম ও ছাত্র সংগঠন নিষিদ্ধ ছিল। তবুও দলের কিছু অংশ ভোটে অংশ নিয়েছে এবং নির্বাচনী পরিবেশে সক্রিয়ভাবে উপস্থিত ছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মাঠ পর্যায়ে আওয়ামী লীগের ভোট টানার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য রাজনৈতিক দল যেমন বিএনপি, জামায়াত জোট ও জাতীয় পার্টির সঙ্গে প্রতিযোগিতা দেখা গেছে। কিছু নেতাকর্মী সরাসরি অন্য দলের প্রচারণায়ও অংশ নিয়েছেন।

টিআইবি উল্লেখ করেছে, আওয়ামী লীগ জুলাই অভ্যুত্থান ও অন্তর্বর্তী সরকারকে অবৈধ ও ষড়যন্ত্রমূলক ঘোষণা করার অবস্থান থেকে সরেনি, যা দলের আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক উভয় কার্যক্রমে প্রতিফলিত হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Din Mohammad

জনপ্রিয়

হাসিনা জীবিত থাকা পর্যন্ত অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলতে পারে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

বর্জনের ঘোষণা দিলেও নির্বাচনের মাঠে ছিলেন আ’লীগ নেতাকর্মীরা : টিআইবি

Update Time : ০২:৩৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিলেও দলের কিছু নেতাকর্মী মাঠে উপস্থিত ছিলেন এবং নির্বাচনি কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন।

সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় দলটির কার্যক্রম ও ছাত্র সংগঠন নিষিদ্ধ ছিল। তবুও দলের কিছু অংশ ভোটে অংশ নিয়েছে এবং নির্বাচনী পরিবেশে সক্রিয়ভাবে উপস্থিত ছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মাঠ পর্যায়ে আওয়ামী লীগের ভোট টানার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য রাজনৈতিক দল যেমন বিএনপি, জামায়াত জোট ও জাতীয় পার্টির সঙ্গে প্রতিযোগিতা দেখা গেছে। কিছু নেতাকর্মী সরাসরি অন্য দলের প্রচারণায়ও অংশ নিয়েছেন।

টিআইবি উল্লেখ করেছে, আওয়ামী লীগ জুলাই অভ্যুত্থান ও অন্তর্বর্তী সরকারকে অবৈধ ও ষড়যন্ত্রমূলক ঘোষণা করার অবস্থান থেকে সরেনি, যা দলের আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক উভয় কার্যক্রমে প্রতিফলিত হয়েছে।