সরকারি কোষাগারে ২৭ কোটি টাকা ফেরত দিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • 278

বাসস:
২০২২-২০২৩ অর্থবছরে অফিসের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ খাতে বরাদ্দ কমিয়ে প্রায় ২৬.৪৩ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও)।

পিএমও মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকী বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের বাজেট সংশোধনের সময় আমরা লক্ষ্য করি যে আমরা বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ খাত থেকে সরকারকে প্রায় ২৭ কোটি টাকা ফেরত দিতে পারি। দেখা যায়, ২৬.৪৩ কোটি টাকা পাওয়া যায়- যা ফেরত দেওয়া যেতে পারে এবং আমরা এই অর্থ সংসদীয় বাজেট থেকে অর্থ বিভাগে হস্তান্তর করেছি।’

ইতোমধ্যেই সরকারি কোষাগারে অর্থ হস্তান্তর করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা অর্থবছরের শুরু থেকে পরিকল্পিতভাবে পিএমওতে ধীরে ধীরে ব্যয় হ্রাস করেছি। আমরা জুলাই মাসে চলতি আর্থিক বছরের শেষ নাগাদ আমাদের অফিসের খরচ আরও কমানোর চেষ্টা করছি।’

আহসান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন দেশের সব মানুষকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদানের উদ্যোগ নেন, তখন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রধানমন্ত্রী অফিসের খরচ কমানো শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘সে সময় প্রধানমন্ত্রী আমাদের সম্ভাব্য খাত থেকে অর্থ সাশ্রয় করে অর্থ বিভাগে ফেরত দেওয়ার নির্দেশনা দেন এবং সে অর্থ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দেওয়ার আহ্বান জানান। আমরা ২০২০ সাল থেকে সেই কাজ শুরু করি।

পিএমও কর্মকর্তা বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিলে তা বাংলাদেশেও আঘাত হানে, তখন ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে আমরা আমাদের অফিস ব্যয় আরও কমাতে শুরু করি।’
তিনি বলেন, প্রথমে আমরা বিদ্যুৎ খরচ কমাই। এরপরে আমরা পেট্রোল ও লুব্রিকেন্টস সেক্টরের দিকে নজর দিই এবং আমরা অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক উপায়ে যানবাহনের রেশনিং করে তাও কমিয়ে আনি।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

সরকারি কোষাগারে ২৭ কোটি টাকা ফেরত দিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

Update Time : ০১:১১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

বাসস:
২০২২-২০২৩ অর্থবছরে অফিসের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ খাতে বরাদ্দ কমিয়ে প্রায় ২৬.৪৩ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও)।

পিএমও মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকী বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের বাজেট সংশোধনের সময় আমরা লক্ষ্য করি যে আমরা বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ খাত থেকে সরকারকে প্রায় ২৭ কোটি টাকা ফেরত দিতে পারি। দেখা যায়, ২৬.৪৩ কোটি টাকা পাওয়া যায়- যা ফেরত দেওয়া যেতে পারে এবং আমরা এই অর্থ সংসদীয় বাজেট থেকে অর্থ বিভাগে হস্তান্তর করেছি।’

ইতোমধ্যেই সরকারি কোষাগারে অর্থ হস্তান্তর করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা অর্থবছরের শুরু থেকে পরিকল্পিতভাবে পিএমওতে ধীরে ধীরে ব্যয় হ্রাস করেছি। আমরা জুলাই মাসে চলতি আর্থিক বছরের শেষ নাগাদ আমাদের অফিসের খরচ আরও কমানোর চেষ্টা করছি।’

আহসান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন দেশের সব মানুষকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদানের উদ্যোগ নেন, তখন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রধানমন্ত্রী অফিসের খরচ কমানো শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘সে সময় প্রধানমন্ত্রী আমাদের সম্ভাব্য খাত থেকে অর্থ সাশ্রয় করে অর্থ বিভাগে ফেরত দেওয়ার নির্দেশনা দেন এবং সে অর্থ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দেওয়ার আহ্বান জানান। আমরা ২০২০ সাল থেকে সেই কাজ শুরু করি।

পিএমও কর্মকর্তা বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিলে তা বাংলাদেশেও আঘাত হানে, তখন ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে আমরা আমাদের অফিস ব্যয় আরও কমাতে শুরু করি।’
তিনি বলেন, প্রথমে আমরা বিদ্যুৎ খরচ কমাই। এরপরে আমরা পেট্রোল ও লুব্রিকেন্টস সেক্টরের দিকে নজর দিই এবং আমরা অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক উপায়ে যানবাহনের রেশনিং করে তাও কমিয়ে আনি।