খবর বিজ্ঞপ্তিঃ
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। রবিবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে এক শোকবার্তায় এ শোক প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে মরহুমের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতি।
রোববার রাতে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল- সিএমএইচে রবিবার রাত ১১.৪০ মিনিটে মারা যান। উচ্চরক্তচাপসহ বার্ধক্যজনিত সমস্যা নিয়ে কিছুদিন আগে সিএমএইচে ভর্তি হন তিনি। সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চিত করে।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী প্রথম জানাজা আজ(১২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে।
এরপর তাকে নেওয়া হবে তার গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের নগরকান্দায়। সেখানে বাদ জোহর দ্বিতীয় জানাজা শেষে বাদ আছর ঢাকার বনানী করবস্থানে তাকে দাফন করা হবে বলে সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মো. শফিউদ্দিন চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।
সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ১৯৫৬ সাল থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ১৯৬৯–১৯৭৫ সময়কালে তিনি বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে কলকাতা গোবরা নার্সিং ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
১৯৭২-১৯৭৫ সময়কালে বাংলাদেশ নারী পুনর্বাসন বোর্ডের পরিচালক, ১৯৭২-১৯৭৬ সময়কালে বাংলাদেশ গার্ল গাইডের ন্যাশনাল কমিশনার এবং ১৯৭৬ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯২ সাল থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক প্রদত্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।
আপডেটঃ মতিউর
Reporter Name 

















