উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২শ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০১:১৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • 195


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা মেটানো এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২ বিলিয়ন (২শ’ কোটি) মার্কিন ডলার সহায়তা চেয়েছেন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেডইসি) প্লাস অনলাইন সামিটে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জরুরি পদক্ষেপ, ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ এবং দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রয়োজন। ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত ও ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট বিশ্বের দেশগুলোর পারস্পরিক নির্ভরতা ও দুর্বলতা স্পষ্ট করে তুলেছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এ সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানি সংকট বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার স্বল্পমেয়াদি কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে, যেমন—চাহিদা ব্যবস্থাপনায় সময়সূচি পরিবর্তন, জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি, বিকল্প উৎস ব্যবহার এবং জ্বালানি রেশনিং।
প্রধানমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, চলমান সংকটের প্রভাব ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে।
তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনে অগ্রগতি অর্জন করেছে, তবে বর্তমান সংকট সেই অগ্রগতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সংকট মোকাবিলায় বৈশ্বিক সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন, বিশেষ করে স্বল্পোন্নত ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Din Mohammad

বাণিজ্য মেলার প্রধান ফটক ভেঙে ক্যাম্পাসে ফিরলেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা

উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২শ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

Update Time : ০১:১৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা মেটানো এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২ বিলিয়ন (২শ’ কোটি) মার্কিন ডলার সহায়তা চেয়েছেন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেডইসি) প্লাস অনলাইন সামিটে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জরুরি পদক্ষেপ, ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ এবং দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রয়োজন। ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত ও ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট বিশ্বের দেশগুলোর পারস্পরিক নির্ভরতা ও দুর্বলতা স্পষ্ট করে তুলেছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এ সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানি সংকট বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার স্বল্পমেয়াদি কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে, যেমন—চাহিদা ব্যবস্থাপনায় সময়সূচি পরিবর্তন, জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি, বিকল্প উৎস ব্যবহার এবং জ্বালানি রেশনিং।
প্রধানমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, চলমান সংকটের প্রভাব ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে।
তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনে অগ্রগতি অর্জন করেছে, তবে বর্তমান সংকট সেই অগ্রগতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সংকট মোকাবিলায় বৈশ্বিক সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন, বিশেষ করে স্বল্পোন্নত ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য।