ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার নাম অবিলম্বে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত। এর ফলে বগুড়া থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে তার আর কোনো আইনগত বাধা থাকছে না।
সোমবার সকালে বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে হাইকোর্টের দেওয়া আগের আদেশ আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এর আগে ঋণখেলাপি তালিকা থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন মাহমুদুর রহমান মান্না। তবে গত ২৪ ডিসেম্বর বিচারপতি মো. বজলুর রহমান ও বিচারপতি মো. মনজুর আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সেই রিট খারিজ করে তাকে ঋণখেলাপি হিসেবে বহাল রাখেন। পরে ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হলে চেম্বার আদালত এই স্থগিতাদেশ দেন।
প্রসঙ্গত, গত ৩ ডিসেম্বর মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের কাছে খেলাপি অর্থ আদায়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়ার বড়গোলা শাখা ‘কল ব্যাক নোটিশ’ জারি করে। নোটিশে প্রতিষ্ঠানটির কাছে ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা বকেয়া উল্লেখ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।
ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালে আফাকু কোল্ড স্টোরেজকে ২২ কোটি টাকা বিনিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়। নিয়মিত মুনাফা ও অন্যান্য চার্জ পরিশোধ না করায় বকেয়া অর্থ বেড়ে বর্তমান পরিমাণে পৌঁছায়। তবে চেম্বার আদালতের সর্বশেষ আদেশে মান্নার নাম ঋণখেলাপির তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় তার নির্বাচনে অংশগ্রহণে আর কোনো বাধা থাকছে না।
ডেস্ক নিউজ 






















