এক জালে উঠে এলো ২২০ মণ ইলিশ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৪৯:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ এপ্রিল ২০২৪
  • 160


প্রতিনিধি কলাপাড়া (পটুয়াখালী):
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এক জালে ধরা পড়েছে ২২০ মণ ইলিশ। রোববার (৭ এপ্রিল) আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে বিক্রি করেন সূর্য মাঝি।
এর আগে মাছগুলো শনিবার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে আসেন সূর্য মাঝি। পরে খান ফিসে নিলামের মাধ্যমে মাছ বিক্রি শুরু করেন। রোববার বেলা ১১টার দিকে এ মাছ বিক্রি শেষ হয়। বছরের সবচেয়ে বেশি মাছ পাওয়া এ ট্রলারটি বাশখালীর হাজী আহম্মদ শফী কোম্পানির মালিকানাধীন।
সূর্য মাঝি জানান, বঙ্গোপসাগরে মৌডুবি এলাকা থেকে পূর্ব-দক্ষিণ ৪০ কিলোমিটার গভীরে জাল ফেলতেই অসংখ্য মাছ আটকা পরে। অতিরিক্ত মাছ আটকা পড়ায় আমরা পুরোপুরি নিয়ে আসতে পারিনি। তবে যে পরিমাণ মাছ অন্য ট্রলারকে দিয়ে আসছি সেখানে প্রায় পাঁচ হাজার পিচ মাছ রয়েছে। আমরা তীরে যা নিয়ে আসছি সেগুলো থেকে বরফ সংকটে প্রায় ২০ মণ পচে গেছে।
খান ফিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুর রহিম খান জানান, বাশখালীর এ ট্রলারটি আমার আড়তে মাছ বিক্রি করে। ট্রলারটিতে এ বছরে সবচেয়ে বেশি মাছ পেয়েছে। সর্বোনিম্ন ৫ হাজার ৬০০ টাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকায় মণ বিক্রি হয়েছে। মাছগুলো আলীপুর-মহিপুরের পাইকাররা বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়েছেন।
কলাপাড়া উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আশিকুর রহমান বলেন, নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালনের একটি সুফল হিসাবে মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে জেলিফিশটা কমে গেছে আর আবহাওয়া অনুকূলে থাকার কারণে এ বছরের সবচেয়ে বেশি মাছ এ মাঝির জালে মিললো।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Din Mohammad

জনপ্রিয়

খুলনায় গুলি, খুন ও হামলার ধারাবাহিকতা, বাড়ছে নিরাপত্তাহীনতা

এক জালে উঠে এলো ২২০ মণ ইলিশ

Update Time : ০৬:৪৯:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ এপ্রিল ২০২৪


প্রতিনিধি কলাপাড়া (পটুয়াখালী):
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এক জালে ধরা পড়েছে ২২০ মণ ইলিশ। রোববার (৭ এপ্রিল) আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে বিক্রি করেন সূর্য মাঝি।
এর আগে মাছগুলো শনিবার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে আসেন সূর্য মাঝি। পরে খান ফিসে নিলামের মাধ্যমে মাছ বিক্রি শুরু করেন। রোববার বেলা ১১টার দিকে এ মাছ বিক্রি শেষ হয়। বছরের সবচেয়ে বেশি মাছ পাওয়া এ ট্রলারটি বাশখালীর হাজী আহম্মদ শফী কোম্পানির মালিকানাধীন।
সূর্য মাঝি জানান, বঙ্গোপসাগরে মৌডুবি এলাকা থেকে পূর্ব-দক্ষিণ ৪০ কিলোমিটার গভীরে জাল ফেলতেই অসংখ্য মাছ আটকা পরে। অতিরিক্ত মাছ আটকা পড়ায় আমরা পুরোপুরি নিয়ে আসতে পারিনি। তবে যে পরিমাণ মাছ অন্য ট্রলারকে দিয়ে আসছি সেখানে প্রায় পাঁচ হাজার পিচ মাছ রয়েছে। আমরা তীরে যা নিয়ে আসছি সেগুলো থেকে বরফ সংকটে প্রায় ২০ মণ পচে গেছে।
খান ফিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুর রহিম খান জানান, বাশখালীর এ ট্রলারটি আমার আড়তে মাছ বিক্রি করে। ট্রলারটিতে এ বছরে সবচেয়ে বেশি মাছ পেয়েছে। সর্বোনিম্ন ৫ হাজার ৬০০ টাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকায় মণ বিক্রি হয়েছে। মাছগুলো আলীপুর-মহিপুরের পাইকাররা বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়েছেন।
কলাপাড়া উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আশিকুর রহমান বলেন, নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালনের একটি সুফল হিসাবে মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে জেলিফিশটা কমে গেছে আর আবহাওয়া অনুকূলে থাকার কারণে এ বছরের সবচেয়ে বেশি মাছ এ মাঝির জালে মিললো।