বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান সম্পন্ন করার পর সর্বনিম্ন সাত ঘণ্টা থেকে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) হাতে পাবেন বলে জানিয়েছেন এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর।
শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনে স্থাপিত নিবন্ধন কেন্দ্রে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
হুমায়ুন কবীর বলেন, ছবি, আঙুলের ছাপ ও চোখের মণির প্রতিচ্ছবি (আইরিশ) নেওয়ার পর তথ্যগুলো কেন্দ্রীয় সার্ভারে আপলোড করা হয়। অনুমোদন সম্পন্ন হলে সফটওয়্যারভিত্তিক প্রক্রিয়ায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি অনন্য এনআইডি নম্বর তৈরি হয় এবং তখনই এনআইডি প্রস্তুত হয়ে যায়। এ প্রক্রিয়ায় মানুষের কোনো সরাসরি হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। কারও ক্ষেত্রে নম্বর তৈরি হতে পাঁচ ঘণ্টা লাগে, আবার কারও ক্ষেত্রে দশ ঘণ্টার বেশি সময়ও লাগতে পারে।
তিনি আরও জানান, আগামী ২৯ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন হওয়ায় তারেক রহমানের এনআইডি প্রাপ্তির বিষয়টি নির্বাচন কমিশন গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় সব কারিগরি প্রস্তুতি রাখা হয়েছে, যাতে তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে এনআইডি সংগ্রহ করে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেন।
এনআইডি না থাকার পেছনের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে হুমায়ুন কবীর বলেন, ২০০৭ সালে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন শুরুর সময় তারেক রহমান কারাগারে ছিলেন। পরে ২০০৮ সালে জামিনে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাওয়ায় দীর্ঘ সাড়ে ১৭ বছরে তার এনআইডি সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।
সম্প্রতি ঘোষণা এসেছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বগুড়া-৬ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য ভোটার তালিকায় নাম থাকা বাধ্যতামূলক হওয়ায় দেশে ফিরে শনিবার তিনি সশরীরে নির্বাচন কমিশনে উপস্থিত হয়ে নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।
উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী আগামী ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে বগুড়া-৬ আসন থেকে তারেক রহমানের নামে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।
ডেস্ক নিউজ 






















