হোটেল আরাফাত ও জেকে’র মালিকের দৌরাত্ম্য
মো: শামিম হোসেন:অনৈতিক কর্মকান্ডের দায়ে হোটেল আরাফাতসহ খুলনার ৬ টি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ ২১ মার্চ সকাল ৯ টায় খুলনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেনের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
এ সময় হোটেল হোটেল আরাফাত, হোটেল মালেক, হোটেল বৈশাখী, হোটেল ভিআইপি, হোটেল ধানসিঁড়ি, হোটেল এনিটা’তে অভিযান চালিয়ে ২ জন নারী ও একজন পুরুষকে আটক করা হয়েছে।
বিশেষ সূত্রে জানা যায়, অন্যান্য দিনের মত রমজান মাসেও এসকল আবাসিক হোটেলে রমরমা দেহ ব্যবসা চলছিল।
সূত্রটি আরো জানায়, এই অনৈতিক ব্যবসায়ে শীর্ষ স্থানে রয়েছে হোটেল আরাফাত। হোটেলের সামনে বসে থাকা দালাল ও ষ্টাফরা খদ্দের ডেকে ভিতরে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে, কাষ্টমার বুঝে টাকা নেওয়া হয়। বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে কলেজের ছাত্রী ও মধ্যবিত্ত পরিবারের গৃহবধুদের পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করার অভিযোগ পাওয়া গেছে এ হোটেলটির বিরুদ্ধে।
খুলনায় বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেলে এই ধরনের অনৈতিক কাজ চলে। তবে হোটেল আরাফাত ও হোটেল জেকে’তে এই অনৈতিক কর্মকান্ড চলে রমরমা ।এই দুই আবাসিক হোটেলে যৌন কর্মী প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পযন্ত দেহ ব্যাবসা পরিচালনা করে আবার নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যায়।
হোটেল আরাফাত ও হোটেল জেকে’র মালিক জুয়েল বিভিন্ন প্রভাব খাটিয়ে অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে আবাসিক হোটেলের নামে দেহ ব্যাবসা ও মাদকের আখড়া।
এ বিষয়ে হোটেল দুটির স্বত্বাধিকারী মো: জুয়েলের কাছে জানতে চাইলে, তিনি অস্বীকার করেন।
উল্লেখ্য, ২ মার্চ খুলনা সদর থানা পুলিশের অভিযানে হোটেল আরাফাত আবাসিক হতে খুলনা জেলার দাকোপ থানার নলিয়ানের কামরুল গাজীর মেয়ে সিনথিয়া খাতুন,খানজাহান আলী থানার জাবদিপুরের আঃ সাত্তারের মেয়ে হোসনেয়ারা বেগম,কয়রা থানার মদিনাবাদের আজহার গাজীর ছেলে শাহদাত হোসেন কে গ্রেফতার করে।
প্রতিবার পুলিশের অভিযানে ধরা ছোয়ার বাইরে থাকে দেহ-মাদক ব্যাবসা পরিচালনাকারি ও হোটেল ভবনের
মালিকরা।
এ বিষয়ে খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন জানান, খুলনা সদর থানা পুলিশ সর্বদা মাদক সন্ত্রাস এবং সকল প্রকার অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যহত আছে।
Reporter Name 
























