দেড় মাসে ৪৩ মামলা দায়ের, আটক ৫৭ জন
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চলতি বছরের আগষ্ট মাসে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কে এম পি) কমিশনারের দ্বায়িত্ব নেন মোঃ মোজাম্মেল হক। যোগদানের পর থেকেই একের পর এক ধামাকা দিয়ে যাচ্ছেন খুলনাবাসীকে। তারই নির্দেশনায় দেড় মাসের মধ্যে গোলা বারুদসহ উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য। তবে তার যোগদানের পর অন্যান্য ইউনিটের মত অভাবনীয় সফলতা অর্জন করেছে কে এম পি’র গোয়েন্দা শাখা( ডিবি)। আগষ্টের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৪৩ টি মামলায় গ্রেফতার হয়েছে ৫৭ জন। এসকল আসামীদেরকে মাদক নিয়ন্ত্রণ , অস্ত্র, প্রতারণা, মারপিট ও জুয়াসহ ভিন্ন ভিন্ন আইনে গ্রেফতার করা হয়। গত আগষ্ট মাসের শুরু থেকে চলতি মাসের ১৩ তারিখ পর্যন্ত ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছে ৬ হাজার ১৩৬ টি, গাজা ৪ কেজি ৪৫০ গ্রাম, ফেন্সিডিল ৮৩ বোতল, চোলাই মদ ৯০ লিটার, বিদেশী মদ ৪ হাজার ৫০০ মি.গ্রা.।
এছাড়া ১ টি পিস্তল, ৭ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ১ টি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ৩ টি চাইনিজ কুড়াল, ২ টি ছুরি, ১ টি দা উদ্ধার করেছে ডিবি(কে এম পি)।
সম্প্রতি ডিবির চৌকস একটি দল খালিশপুরে অভিযান চালিয়ে একজন ব্যাক্তির নিকট থেকে ৭০৫ কেজি ভেজাল মধু উদ্ধার করে। এছাড়া জুয়া বিরোধী অভিযান চালিয়ে একটি জুয়ার আসর থেকে ৪ জন জুয়াড়িকে আটক করে ডিবি ।
সব মিলিয়ে দেড় মাসে মোট মামলা রুজু হয়েছে ৪৩ টি এবং আসামী গ্রেফতার হয়েছে ৫৭ জন।
রাজু আহমেদ নামক এক মানবধিকার কর্মী বলেন, বর্তমানে অপরাধীরা খুবই বিচক্ষণতার সাথে অপরাধ সংঘটিত করে। কে এম পি’র গোয়েন্দা দল বর্তমানের ন্যায় সর্বদা তৎপরতার সাথে কাজ করলে কমে আসবে অপরাধ।
রনি ইসলাম নামক আরেক ব্যাক্তি বলেন,পূর্বের ইতিহাসে জটিল ও কঠিন মামলা গুলো গোয়েন্দা দলের মাধ্যমে রহস্য উম্মেচন করা হয়। শুধু মাত্র সোর্স নির্ভর না হয়ে, উন্নত তথ্য—প্রযুক্তিনির্ভর হলে হয়ত আরো সফলতা পাবে গোয়েন্দা পুলিশ।
তবে কে এম পি — ডিবি’র উপ কমিশনার বি এম নুরুজ্জামান বলেন,অস্ত্র, মাদক, জুয়াসহ যেকোনো অপরাধ সংগঠিত হলে তৎপরতার সাথে কাজ করবে ডিবি।
সময়ের সাথে সাথে বেড়েছে অপরাধের প্রবণতা। নতুন নতুন কৌশলে মানুষ অন্যায় কাজে জড়িয়ে পড়ছে। আইনের কঠিন জালে আটকানোর ভয়ে নতুন কৌশল আয়ত্ত করছে এ সকল অপরাধীরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপরাধীদের এই গতিপথ পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে যাচাই করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা বাহিনীর তৎপরতা একান্ত প্রয়োজন।
Reporter Name 
























