দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ খাত হতে পারে ব্লু ইকোনমি : শিক্ষামন্ত্রী

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০২:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 1

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশের অন্যতম বড় সম্পদ বিশাল জনগোষ্ঠী। এই জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের পাশাপাশি সমুদ্রসম্পদের সম্ভাবনাও কাজে লাগাতে হবে। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে। এই বিশাল সামুদ্রিক অঞ্চলের সম্পদ ও সম্ভাবনা নিয়ে শিক্ষা ও গবেষণা আরও এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। সুনীল অর্থনীতি ও সার্কুলার ইকোনমিকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের ক্রিস্টাল বল রুমে আয়োজিত দ্বিতীয় চীন-বাংলাদেশ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা বিনিময় বিষয়ক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে সুনীল অর্থনীতি বা ব্লু ইকোনমি গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত হতে পারে। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় থাকা বিপুল সম্পদ কাজে লাগাতে শিক্ষা ও গবেষণায় গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, সুনীল অর্থনীতি নিয়ে চীনের গবেষক ও অধ্যাপকেরাও কাজ করছেন। এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও গবেষণা বিনিময়ের সুযোগ রয়েছে। সমুদ্রসম্পদের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতেও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা (টিভিইটি) খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে হবে। সম্প্রতি চীন সফরে দেশটির শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে তৈরি হওয়া সংযোগ দেখেছেন বলেও জানান তিনি। এ অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। সুনীল অর্থনীতি, শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ তার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাগুলো আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারে।

অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামসহ চীনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ খাত হতে পারে ব্লু ইকোনমি : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ খাত হতে পারে ব্লু ইকোনমি : শিক্ষামন্ত্রী

Update Time : ০২:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশের অন্যতম বড় সম্পদ বিশাল জনগোষ্ঠী। এই জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের পাশাপাশি সমুদ্রসম্পদের সম্ভাবনাও কাজে লাগাতে হবে। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে। এই বিশাল সামুদ্রিক অঞ্চলের সম্পদ ও সম্ভাবনা নিয়ে শিক্ষা ও গবেষণা আরও এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। সুনীল অর্থনীতি ও সার্কুলার ইকোনমিকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের ক্রিস্টাল বল রুমে আয়োজিত দ্বিতীয় চীন-বাংলাদেশ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা বিনিময় বিষয়ক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে সুনীল অর্থনীতি বা ব্লু ইকোনমি গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত হতে পারে। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় থাকা বিপুল সম্পদ কাজে লাগাতে শিক্ষা ও গবেষণায় গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, সুনীল অর্থনীতি নিয়ে চীনের গবেষক ও অধ্যাপকেরাও কাজ করছেন। এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও গবেষণা বিনিময়ের সুযোগ রয়েছে। সমুদ্রসম্পদের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতেও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা (টিভিইটি) খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে হবে। সম্প্রতি চীন সফরে দেশটির শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে তৈরি হওয়া সংযোগ দেখেছেন বলেও জানান তিনি। এ অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। সুনীল অর্থনীতি, শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ তার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাগুলো আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারে।

অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামসহ চীনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।