নিখোঁজ শিশু উদ্ধারে চালু হলো ‘মুন অ্যালার্ট’ ও হেল্পলাইন ১৩২১৯

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০১:১০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • 209

নিখোঁজ শিশুদের দ্রুত উদ্ধারের জন্য বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চালু হলো ‘মুন অ্যালার্ট’। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং অ্যাম্বার অ্যালার্ট ফর বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই ব্যবস্থা উদ্বোধন করা হয়। এ সঙ্গে চালু করা হয়েছে টোল ফ্রি হেল্পলাইন ১৩২১৯।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ, বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগের পরিচালক মো. নুরাননবী, অ্যাম্বার অ্যালার্ট ফর বাংলাদেশের কনভেনার সাদাত রহমান এবং অন্যান্য কর্মকর্তা।

সিআইডি জানিয়েছে, কোনো শিশু নিখোঁজ হলে মুন অ্যালার্টের মাধ্যমে শিশুটির তথ্য পুলিশ স্টেশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ব্যাংকিং এটিএম বুথ, মেট্রোরেল এবং সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়া হবে। বাস, ট্রেন ও লঞ্চ টার্মিনালের জায়ান্ট স্ক্রিনেও নিখোঁজ শিশুর ছবি প্রদর্শিত হবে। সীমান্ত দিয়ে শিশু পাচার রোধে বিজিবি সতর্ক থাকবে।

প্রথম তিন ঘণ্টাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিখোঁজ শিশুর উদ্ধারে কাজ করবে। শিশু সুরক্ষায় শুধু পুলিশ নয়, সাধারণ মানুষকেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে বলে সিআইডি প্রধান জানিয়েছেন।

‘মুন অ্যালার্ট’ সিলেটের কানাইঘাট থেকে নিখোঁজ শিশু মুনতাহা আক্তারের ঘটনা স্মরণ করে চালু করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Din Mohammad

বাণিজ্য মেলার প্রধান ফটক ভেঙে ক্যাম্পাসে ফিরলেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা

নিখোঁজ শিশু উদ্ধারে চালু হলো ‘মুন অ্যালার্ট’ ও হেল্পলাইন ১৩২১৯

Update Time : ০১:১০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

নিখোঁজ শিশুদের দ্রুত উদ্ধারের জন্য বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চালু হলো ‘মুন অ্যালার্ট’। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং অ্যাম্বার অ্যালার্ট ফর বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই ব্যবস্থা উদ্বোধন করা হয়। এ সঙ্গে চালু করা হয়েছে টোল ফ্রি হেল্পলাইন ১৩২১৯।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ, বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগের পরিচালক মো. নুরাননবী, অ্যাম্বার অ্যালার্ট ফর বাংলাদেশের কনভেনার সাদাত রহমান এবং অন্যান্য কর্মকর্তা।

সিআইডি জানিয়েছে, কোনো শিশু নিখোঁজ হলে মুন অ্যালার্টের মাধ্যমে শিশুটির তথ্য পুলিশ স্টেশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ব্যাংকিং এটিএম বুথ, মেট্রোরেল এবং সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়া হবে। বাস, ট্রেন ও লঞ্চ টার্মিনালের জায়ান্ট স্ক্রিনেও নিখোঁজ শিশুর ছবি প্রদর্শিত হবে। সীমান্ত দিয়ে শিশু পাচার রোধে বিজিবি সতর্ক থাকবে।

প্রথম তিন ঘণ্টাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিখোঁজ শিশুর উদ্ধারে কাজ করবে। শিশু সুরক্ষায় শুধু পুলিশ নয়, সাধারণ মানুষকেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে বলে সিআইডি প্রধান জানিয়েছেন।

‘মুন অ্যালার্ট’ সিলেটের কানাইঘাট থেকে নিখোঁজ শিশু মুনতাহা আক্তারের ঘটনা স্মরণ করে চালু করা হয়েছে।