Dhaka ১১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাইকারিতে ভারতীয় পেঁয়াজ ৪০ টাকা, দেশি ৫০

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৫০:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুন ২০২৩
  • 594

নিজস্ব প্রতিবেদক
ভারত থেকে আমদানির অনুমতির পর থেকেই দেশের বাজারে কমছে পেঁয়াজের দাম। বর্তমানে দেশের পাইকারি বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে। এর প্রভাবে কমেছে দেশি পেঁয়াজের দামও। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৪ টাকায়।
বুধবার (৭ জুন) মসলাজাতীয় পণ্যের পাইকারি ব্যবসাকেন্দ্র পুরান ঢাকার শ্যামবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
পেঁয়াজের বাজারে দরপতনের বিষয়ে জানতে চাইলে শ্যামবাজারের বিক্রমপুর হাউজের খোকন ইসলাম বলেন, ভারত থেকে প্রচুর পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। বর্তমানে দেশের পাইকারি বাজারে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে ভারতীয় পেঁয়াজ। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৪ টাকায়। দাম আরও কমতে পারে।
শ্যামবাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, শুধু পাইকারি বাজার নয়, আমদানির খবরে দেশের গ্রামাঞ্চলের মোকামেও কমতে শুরু করেছে দাম। অন্যদিকে, খুচরা বাজারেও কমছে পেঁয়াজের দাম। তবে, পাইকারিতে দাম কমলেও খুচরায় এর প্রভাব পড়তে সময় লাগবে। কারণ বিক্রেতারা বেশি দামে কেনা পেঁয়াজ কম দামে বিক্রি করতে চান না। যদিও দাম বাড়বে এমন খবরে সঙ্গে সঙ্গে বাড়িয়ে দেন পণ্যের দাম।
রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, আজ ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। যা শনিবার (৩ জুন) প্রতি কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এরপর রোববার সন্ধ্যায় সোমবার থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতির খবর আসে। আর ওইদিনই আইপিও (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) দেওয়া শুরু হলে পাইকারি বাজারে কেজিপ্রতি ২৫ টাকা কমে যায় পেঁয়াজের দাম। তবে, ওইদিন খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েনি। একদিন পর মঙ্গলবার থেকে খুচরা বাজারে কমতে শুরু করে পেঁয়াজের দাম, যা আজ পর্যন্ত কেজিতে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। সেই হিসাবে বর্তমানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়।
রাজধানীর সেগুনবাগিচা বাজারে দেখা যায়, প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা দরে। এ বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা সুমন বলেন, মঙ্গলবার ৯০ টাকা করে বিক্রি করেছি পেঁয়াজ। আগের দিন সোমবার ১০০ টাকা করে।
তবে সেগুনবাগিচা থেকে রামপুরা ও খিলগাঁও বাজারে আরও পাঁচ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। সেখানে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। রামপুরা বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা ফরিদ মিয়া বলেন, দাম কমতে শুরু করেছে, এখন প্রতিদিন ২/৪ টাকা করে কমছে। বাজারে প্রচুর ভারতীয় পেঁয়াজ উঠেছে।
অন্যদিকে, আমদানি শুরুর পর থেকে পাইকারি ব্যবসাকেন্দ্র শ্যামবাজারের পেঁয়াজের দাম কমছে। প্রথমদিন (সোমবার) আগের একদিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কমেছিল কেজি প্রতি ২৫ টাকা। সেখানে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। এখন ভারত থেকে পেঁয়াজ আসায় আজ আরও ৬ টাকা কমছে দাম। বর্তমানে সেখানে প্রতিকেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৪ টাকায়।
ব্যবসায়ীরা জানান, পেঁয়াজ আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করায় বিভিন্ন স্থলবন্দরে দিয়ে প্রচুর পেঁয়াজ আসছে। দু-একদিনের মধ্যে এসব পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে এসে পৌঁছাবে। তখন দাম আরেক দফা কমবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

পাইকারিতে ভারতীয় পেঁয়াজ ৪০ টাকা, দেশি ৫০

Update Time : ০৮:৫০:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুন ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
ভারত থেকে আমদানির অনুমতির পর থেকেই দেশের বাজারে কমছে পেঁয়াজের দাম। বর্তমানে দেশের পাইকারি বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে। এর প্রভাবে কমেছে দেশি পেঁয়াজের দামও। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৪ টাকায়।
বুধবার (৭ জুন) মসলাজাতীয় পণ্যের পাইকারি ব্যবসাকেন্দ্র পুরান ঢাকার শ্যামবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
পেঁয়াজের বাজারে দরপতনের বিষয়ে জানতে চাইলে শ্যামবাজারের বিক্রমপুর হাউজের খোকন ইসলাম বলেন, ভারত থেকে প্রচুর পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। বর্তমানে দেশের পাইকারি বাজারে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে ভারতীয় পেঁয়াজ। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৪ টাকায়। দাম আরও কমতে পারে।
শ্যামবাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, শুধু পাইকারি বাজার নয়, আমদানির খবরে দেশের গ্রামাঞ্চলের মোকামেও কমতে শুরু করেছে দাম। অন্যদিকে, খুচরা বাজারেও কমছে পেঁয়াজের দাম। তবে, পাইকারিতে দাম কমলেও খুচরায় এর প্রভাব পড়তে সময় লাগবে। কারণ বিক্রেতারা বেশি দামে কেনা পেঁয়াজ কম দামে বিক্রি করতে চান না। যদিও দাম বাড়বে এমন খবরে সঙ্গে সঙ্গে বাড়িয়ে দেন পণ্যের দাম।
রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, আজ ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। যা শনিবার (৩ জুন) প্রতি কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এরপর রোববার সন্ধ্যায় সোমবার থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতির খবর আসে। আর ওইদিনই আইপিও (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) দেওয়া শুরু হলে পাইকারি বাজারে কেজিপ্রতি ২৫ টাকা কমে যায় পেঁয়াজের দাম। তবে, ওইদিন খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েনি। একদিন পর মঙ্গলবার থেকে খুচরা বাজারে কমতে শুরু করে পেঁয়াজের দাম, যা আজ পর্যন্ত কেজিতে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। সেই হিসাবে বর্তমানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়।
রাজধানীর সেগুনবাগিচা বাজারে দেখা যায়, প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা দরে। এ বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা সুমন বলেন, মঙ্গলবার ৯০ টাকা করে বিক্রি করেছি পেঁয়াজ। আগের দিন সোমবার ১০০ টাকা করে।
তবে সেগুনবাগিচা থেকে রামপুরা ও খিলগাঁও বাজারে আরও পাঁচ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। সেখানে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। রামপুরা বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা ফরিদ মিয়া বলেন, দাম কমতে শুরু করেছে, এখন প্রতিদিন ২/৪ টাকা করে কমছে। বাজারে প্রচুর ভারতীয় পেঁয়াজ উঠেছে।
অন্যদিকে, আমদানি শুরুর পর থেকে পাইকারি ব্যবসাকেন্দ্র শ্যামবাজারের পেঁয়াজের দাম কমছে। প্রথমদিন (সোমবার) আগের একদিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কমেছিল কেজি প্রতি ২৫ টাকা। সেখানে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। এখন ভারত থেকে পেঁয়াজ আসায় আজ আরও ৬ টাকা কমছে দাম। বর্তমানে সেখানে প্রতিকেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৪ টাকায়।
ব্যবসায়ীরা জানান, পেঁয়াজ আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করায় বিভিন্ন স্থলবন্দরে দিয়ে প্রচুর পেঁয়াজ আসছে। দু-একদিনের মধ্যে এসব পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে এসে পৌঁছাবে। তখন দাম আরেক দফা কমবে।