সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও মাছ ও মাংসের বাজারে এখনো আগুন। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লারসহ সব ধরনের মুরগির দাম বেড়েছে। গরিবের ইলিশ খ্যাত পাঙাশ ও তেলাপিয়ার দামও ঊর্ধ্বমুখী। ক্রেতাদের অভিযোগ, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও প্রতি শুক্রবার বিক্রেতারা দাম বাড়িয়ে দেন।
এক মাসে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা বাড়ার পর ব্রয়লার মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা দরে। সোনালি মুরগি ২৬০ থেকে বেড়ে ২৮০ টাকা কেজিতে পৌঁছেছে। অন্যদিকে গরুর মাংসের দাম অপরিবর্তিত থেকে কেজিপ্রতি ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১,০০০ থেকে ১,২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারেও ভোগান্তি চরমে। মাঝারি ইলিশ কেজিপ্রতি ২,৩০০–২,৫০০ টাকা, ছোট ইলিশ কেজিপ্রতি ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। রুই ৩৫০–৪০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০ টাকা, পাঙাশ ২২০–২৫০ টাকা, পাবদা ৪০০–৪৫০ টাকা, বাইলা ৮৫০ টাকা, টেংরা ৮০০ টাকা এবং চিংড়ি কেজিপ্রতি ১,০০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতারা বলছেন, সংসারে আয়ের কোনো বৃদ্ধি না হলেও প্রতিনিয়ত নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে। গরুর মাংস বা ভালো মানের মাছ কেনা তো দূরের কথা, এখন মুরগি কেনাও কষ্টকর হয়ে পড়ছে। অনেকের অভিযোগ, বাজারে দরদামের কোনো সুযোগ নেই—বিক্রেতারা যে দাম বলেন, সেটিই মেনে নিতে হয়।
ডেস্ক নিউজ 















