Dhaka ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাঠ্যবই থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ বাদ

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০১:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • 110

নতুন শিক্ষাবর্ষে নতুন পাঠ্যবই হাতে পেয়েছে শিক্ষার্থীরা। এতে মাধ্যমিক স্তরের অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ বই থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণ বাদ দেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সাল পর্যন্ত ‘সাহিত্য কণিকা’ পাঠ্যবইয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ হিসেবে ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ গদ্যাংশে অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে এবারের নতুন পাঠ্যবইয়ে সেটি বাদ দেওয়া হয়েছে। বইটিতে ১২টি গদ্যের মধ্যে এবার ১১টি গদ্যের স্থান হয়েছে।

বই পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আগে থেকে থাকা গদ্যের মধ্যে রয়েছে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘অতিথির স্মৃতি’, কাজী নজরুল ইসলামের ‘ভাব ও কাজ’, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পড়ে পাওয়া’, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘তৈলচিত্রের ভূত’, মোতাহের হোসেন চৌধুরীর ‘লাইব্রেরি’, মমতাজউদদীন আহমদের ‘সুখী মানুষ’, মুস্তাফা মনোয়ারের ‘শিল্পকলার নানা দিক’, বিপ্রদাশ বড়ুয়ার ‘মংডুর পথে’, শামসুজ্জামান খানের ‘বাংলা নববর্ষ’, হুমায়ুন আজাদের ‘বাংলা ভাষার জন্মকথা’ এবং ‘গণঅভ্যুত্থানের কথা’।

অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ পাঠ্যবইয়ের কবিতাংশে আগের মতো এবারও ১৩টি কবিতার স্থান হয়েছে।

জানা গেছে, মাধ্যমিকের অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ পাঠ্যবইয়ে অন্যান্যবার গদ্যাংশে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ হিসেবে ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ অংশটুকু গুরুত্বসহকারে তুলে ধরা হতো। বইটির ৩১ থেকে ৩৬ পৃষ্ঠাজুড়ে ৭ মার্চের অবদান তুলে ধরে পুরো তার ভাষণটি তুলে দেওয়া হয়েছিল।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের পাঠ্যবইয়ে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ পাঠ্যবই থেকে বাদ গেলো শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্র জানায়, গণঅভ্যুত্থানের পর পাঠ্যবইয়ে নানা সংশোধন এসেছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের বইয়ে শেখ মুজিব নিয়ে অতিরঞ্জিত তথ্য বাদ দিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে লিখিতভাবে চিঠি দেওয়া হয়। এরপর এনসিটিবি এ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

পাঠ্যবই থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ বাদ

Update Time : ০১:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

নতুন শিক্ষাবর্ষে নতুন পাঠ্যবই হাতে পেয়েছে শিক্ষার্থীরা। এতে মাধ্যমিক স্তরের অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ বই থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণ বাদ দেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সাল পর্যন্ত ‘সাহিত্য কণিকা’ পাঠ্যবইয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ হিসেবে ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ গদ্যাংশে অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে এবারের নতুন পাঠ্যবইয়ে সেটি বাদ দেওয়া হয়েছে। বইটিতে ১২টি গদ্যের মধ্যে এবার ১১টি গদ্যের স্থান হয়েছে।

বই পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আগে থেকে থাকা গদ্যের মধ্যে রয়েছে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘অতিথির স্মৃতি’, কাজী নজরুল ইসলামের ‘ভাব ও কাজ’, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পড়ে পাওয়া’, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘তৈলচিত্রের ভূত’, মোতাহের হোসেন চৌধুরীর ‘লাইব্রেরি’, মমতাজউদদীন আহমদের ‘সুখী মানুষ’, মুস্তাফা মনোয়ারের ‘শিল্পকলার নানা দিক’, বিপ্রদাশ বড়ুয়ার ‘মংডুর পথে’, শামসুজ্জামান খানের ‘বাংলা নববর্ষ’, হুমায়ুন আজাদের ‘বাংলা ভাষার জন্মকথা’ এবং ‘গণঅভ্যুত্থানের কথা’।

অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ পাঠ্যবইয়ের কবিতাংশে আগের মতো এবারও ১৩টি কবিতার স্থান হয়েছে।

জানা গেছে, মাধ্যমিকের অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ পাঠ্যবইয়ে অন্যান্যবার গদ্যাংশে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ হিসেবে ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ অংশটুকু গুরুত্বসহকারে তুলে ধরা হতো। বইটির ৩১ থেকে ৩৬ পৃষ্ঠাজুড়ে ৭ মার্চের অবদান তুলে ধরে পুরো তার ভাষণটি তুলে দেওয়া হয়েছিল।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের পাঠ্যবইয়ে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ পাঠ্যবই থেকে বাদ গেলো শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্র জানায়, গণঅভ্যুত্থানের পর পাঠ্যবইয়ে নানা সংশোধন এসেছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের বইয়ে শেখ মুজিব নিয়ে অতিরঞ্জিত তথ্য বাদ দিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে লিখিতভাবে চিঠি দেওয়া হয়। এরপর এনসিটিবি এ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে।