নিজস্ব প্রতিবেদক
‘ক্যাম্পাসে গিয়েছি এক সপ্তাহও কাটেনি। এর মধ্যে আমার সঙ্গে এরকম ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে চুপচাপ ছিলাম। ভয় পেয়ে কাউকে না জানিয়ে বাড়ি চলে গিয়েছিলাম। পরে পরিবারের সদস্যদের বিশেষ করে বাবার অভয় পেয়ে অভিযোগ দায়ের করেছি।’
এভাবেই গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে সাহসের বর্ণনা দিয়েছেন ভুক্তভোগী ফুলপরি খাতুন। রোববার (১৯ ফ্রেব্রুয়ারি) ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে সদ্য ভর্তি হওয়া ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা হয় এই গণমাধ্যমকর্মীদের।
ভুক্তভোগী বলেন, প্রতিবাদ না করলে আমার সঙ্গে আরও মারাত্মক কিছু ঘটত। আমার সঙ্গে যা হয়েছে অভিযুক্তদের যত বড়ই শাস্তি হোক তা ফিরে পাব না। তবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছি যাতে অন্যায় প্রশয় না পায়। ক্ষমতার অপব্যবহার কেউ যেন না করতে পারে। আমি মানসিকভাবে খুব বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। আমি বাবা-মায়ের বড় সম্পদ এটি ভেবে আত্মহত্যার কথা মাথায় আনিনি।
ফুলপরি বলেন, আমি চুপ থেকে কেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫-৬টা বছর কষ্ট করে থাকব? আবার নতুন যারা আসবে তাদের সঙ্গে এমন করবে। ভবিষ্যতে এমন অন্যায় যেন কোনো মেয়ের সঙ্গে না হয়। আমার পরিবার অনেক সাপোর্ট দিচ্ছে। বিশেষ করে আমার ভাইয়া, আব্বু, আম্মু, মামারা খুব সাপোর্ট দিচ্ছেন। আমি নির্যাতনকারীদের সর্বোচ্চ বিচার চাই। যাতে আর কখনো কোনদিন কেউ এরকম কারও সঙ্গে করার সাহস না পায়।
ফুলপরির বাবা আতাউর রহমান বলেন, মানুষের জীবনে অনেক কিছু ঘটে সেগুলো নিয়েই চলতে হবে। আমার মেয়ে বাড়ি এসে আমার কাছে এসে ঘটনা বলল। তখন ভেবেছি আজ আমার মেয়ের ওপর হয়েছে, সামনে আরও হাজার হাজার মেয়ের ওপর হবে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছি যাতে অন্যায় প্রশয় না পায়। আমি এর সুষ্ঠু বিচার ও কঠিন শাস্তি চাই। আমার মেয়ের ওপর যে অত্যাচার হয়েছে তা যেন অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে না ঘটে।
Reporter Name 


















