নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বেনাপোল কাস্টমস অফিসে কর্মরত রাসেল কবিরের খুলনায় ৫টি বাড়িসহ নামে বেনামে বিপুল সম্পত্তির সন্ধান পাওয়া গেছে। তিনি বেনাপোল কাস্টম’স অফিসে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার পদে কর্মরত রয়েছেন। রাসেল কবির আঃ রাজ্জাকের পুত্র।
খালিশপুরের মুজগুন্নী আবাসিক এলাকায় তার একটি প্লটে চলছে বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ । কেডিএ’র এই ৪ কাঠার প্লটের আনুমানিক বাজার মূল্য দেড় কোটি টাকা। এছাড়া প্রস্তাবিত ৬ তলার নির্মাণ খরচ হবে আনুমানিক ৩ কোটি টাকা।
তিনি বর্তমানে বসবাস করছেন মুজগুন্নী শেখপাড়া রোডের একটি কেনা বাড়িতে। যার জমির পরিমান প্রায় আড়াই শতক, আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা। এছাড়া মুজগুন্নী শেখপাড়া মাদ্রাসার পেছনে রয়েছে ৫ শতক ও মাদ্রাসার সামনের গলিতে রয়েছে বাড়িসহ ৩ শতক জমি।
এছাড়া অবকাশ যাপনের জন্য কেডিএ’র ময়ূরী আবাসিক প্রকল্প সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ২২ শতক জমির উপর রয়েছে বাগান-বাড়ি।
যাতায়াতের সুবিধার জন্য এই কর্মকর্তা একটি সি এন জি কিনেছেন। গাড়ীটি পারিবারিক কাজে ব্যবহৃত হয় বলে জানায় ড্রাইভার মোঃ জাহাঙ্গীর। এ বিষয়ে রাসেল কবির বলেন, “এসকল তথ্য ভিত্তিহীন।আমার নিজস্ব একটি বাড়ী আছে এবং মুজগুন্নী আবাসিকে পরিবারের সকলের বিনিয়োগে জমি কিনে বাড়ি করছি। কিছু লোক সম্মানহানী করার জন্য এমন তথ্যপ্রচার করছে”। তবে ময়ূরী আবাসিক সংলগ্ন বাগানবাড়ির জমির বিষয়ে সত্যতা প্রকাশ করেন তিনি।
এ বিষয়ে খুলনার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)এর পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, তথ্য যাচাই করে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
Reporter Name 
























