মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৭০.৭৩ শতাংশ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:২৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • 62

চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর অনুষ্ঠিত সাতটি মন্ত্রিসভা বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৭০ দশমিক ৭৩ শতাংশ বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার অষ্টম বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে জাপানের সঙ্গে ‘ট্রান্সফার অব ডিফেন্স ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি’ শীর্ষক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি চুক্তি অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

এছাড়া ‘ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য এস্টাবলিশমেন্ট অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স (আইবিসিএ)’ স্বাক্ষরের প্রস্তাবও অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এ প্রস্তাব উত্থাপন করে।

ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স (আইবিসিএ) ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে টাইগার, লায়ন, লেপার্ড, স্নো লেপার্ড, পিউমা, জাগুয়ার ও চিতাসহ সাতটি বৃহৎ বিড়াল প্রজাতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে গঠিত একটি বৈশ্বিক জোট। বর্তমানে জাতিসঙ্ঘের ২৪টি সদস্য রাষ্ট্র এ জোটের সদস্য। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসভূমি হওয়ায় সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিষয় বিবেচনায় বাংলাদেশ এ জোটে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর সেইফ, অর্ডারলি অ্যান্ড রেগুলার মাইগ্রেশন (জিসিএম)’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খসড়া জিসিএম-ন্যাপ (২০২৬-২০৩০) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এ প্রস্তাব উত্থাপন করে।

বিশ্বব্যাপী নিরাপদ ও নিয়মতান্ত্রিক অভিবাসন নিশ্চিত করতে ২০১৮ সালে জাতিসঙ্ঘে জিসিএম গৃহীত হয়। বাংলাদেশসহ ১৬৪টি দেশ এর পক্ষভুক্ত। আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ে বৈশ্বিক সহযোগিতার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। এ ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ International Organization for Migration ২০২০ সালে বাংলাদেশকে জিসিএম চ্যাম্পিয়ন কান্ট্রি হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে এবং আইওএমের সহযোগিতায় ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জন্য জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (জিসিএম-ন্যাপ) প্রণয়ন করা হয়েছে, যা মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৭০.৭৩ শতাংশ

Update Time : ০১:২৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর অনুষ্ঠিত সাতটি মন্ত্রিসভা বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৭০ দশমিক ৭৩ শতাংশ বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার অষ্টম বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে জাপানের সঙ্গে ‘ট্রান্সফার অব ডিফেন্স ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি’ শীর্ষক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি চুক্তি অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

এছাড়া ‘ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য এস্টাবলিশমেন্ট অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স (আইবিসিএ)’ স্বাক্ষরের প্রস্তাবও অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এ প্রস্তাব উত্থাপন করে।

ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স (আইবিসিএ) ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে টাইগার, লায়ন, লেপার্ড, স্নো লেপার্ড, পিউমা, জাগুয়ার ও চিতাসহ সাতটি বৃহৎ বিড়াল প্রজাতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে গঠিত একটি বৈশ্বিক জোট। বর্তমানে জাতিসঙ্ঘের ২৪টি সদস্য রাষ্ট্র এ জোটের সদস্য। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসভূমি হওয়ায় সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিষয় বিবেচনায় বাংলাদেশ এ জোটে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর সেইফ, অর্ডারলি অ্যান্ড রেগুলার মাইগ্রেশন (জিসিএম)’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খসড়া জিসিএম-ন্যাপ (২০২৬-২০৩০) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এ প্রস্তাব উত্থাপন করে।

বিশ্বব্যাপী নিরাপদ ও নিয়মতান্ত্রিক অভিবাসন নিশ্চিত করতে ২০১৮ সালে জাতিসঙ্ঘে জিসিএম গৃহীত হয়। বাংলাদেশসহ ১৬৪টি দেশ এর পক্ষভুক্ত। আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ে বৈশ্বিক সহযোগিতার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। এ ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ International Organization for Migration ২০২০ সালে বাংলাদেশকে জিসিএম চ্যাম্পিয়ন কান্ট্রি হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে এবং আইওএমের সহযোগিতায় ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জন্য জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (জিসিএম-ন্যাপ) প্রণয়ন করা হয়েছে, যা মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে।