মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিকে দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে সরকারের উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠকের পর মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের এ সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়। একাধিক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
এই রদবদলের পেছনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী করার সিদ্ধান্তকে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ার পর মির্জা ফখরুলের মন্ত্রিত্ব ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রেক্ষাপটে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে নতুন দায়িত্বশীল নেতৃত্ব দেওয়ার প্রয়োজন তৈরি হয়।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এতদিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করা সালাহউদ্দিন আহমদ এখন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। আর পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেবেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। এর আগে তিনি সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
অন্যদিকে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য। তিনি এতদিন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। নতুন রদবদলের মাধ্যমে তাকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলো।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর তার হাতে থাকা স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নতুন করে বণ্টন করা হয়েছে। প্রশাসনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোতে দ্রুত নেতৃত্ব নিশ্চিত করতেই এই পুনর্বণ্টন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
এদিকে মন্ত্রিসভার আরও কয়েকটি দপ্তরেও পরিবর্তন আসতে পারে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে পরবর্তী সরকারি প্রজ্ঞাপন বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া গেলে পরিবর্তনের পূর্ণাঙ্গ চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















