Dhaka ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশুকে সুজি খাওয়ানো ঠিক নয়

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৫৪:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১
  • 160

ফার্স্টনিউজ ডেস্ক

অনেক মা শিশুকে সুজি খাওয়ান। কিন্তু এক বছরের নিচের বয়সী শিশুদের একবারের জন্যও সুজি কিংবা গরুর দুধ খাওয়ানো উচিত নয়। এটি খাওয়ালে তাদের কোষের মধ্যে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া স্থান করে নিতে পারে। এর ফল তাকে সারাজীবন ভোগ করতে হবে।

সচেতন মা এখন গরুর দুধের বিষয়টি খেয়াল রাখছেন। কিন্তু সুজির বিষয়টি জানেনই না। এ বিষয়েও সচেতন হতে হবে। সুজি একদিনের জন্যও খাওয়ানো ঠিক নয়। কারণ ময়দা হলো আটার পরিশোধিত রূপ। আটা যখন পরিশোধন করে সুজি, বেসন, ময়দা ইত্যাদি হিসেবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, তখন তাতে গ্লুটেন ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি অ্যালার্জির অন্যতম নিয়ামক। বিশ্বের সব দেশেই খাদ্য প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো সংরক্ষণের জন্য গ্লুটেন ব্যবহার করে। আর কৃত্রিম জুসে ব্যবহার করা হয় ফ্রুক্টোজ। সব ধরনের ইনস্ট্যান্ট ও প্রক্রিয়াজত খাদ্যে ব্যবহার করা হয় প্রিজারভেটিভ।

ইনস্ট্যান্ট খাদ্যের মধ্যে অন্যতম হলো, নুডুলস, স্যুপ। কৃত্রিম জুসে থাকে প্রাকৃতিক ও কৃক্রিম ফ্রুক্টোজ। কৃত্রিম ফ্রুক্টোজ হাইপার সেনসিটিভিটিকে রিঅ্যাকশন করে। জুস সবাই খেলেও শিশুদের জন্য আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরা হয়। শীতে শিশুদের চারটি চর্মরোগের (এটোপিক একজিমা, সোরিয়াসিস, ভিটিলিগো ও হাইড্রাডেনিটিস সুপারেটিভা) মধ্যে এটোপিক একজিমা বেশি হয়। ব্রণের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর হয়ে থাকে হাইড্রাডেনিটিস সুপারেটিভা। এতে চর্বিবহুল গন্থি এবং চুলে গুটিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এলার্জির কারণে চুল পড়ে এবং গোটা বিশ্বে এটি খুব কমন সমস্যা।

অ্যালার্জির সাথে ত্বকের সুস্থতা, শিশুদের স্বাস্থ্য ও চুল পরার ক্ষেত্রে গ্লুটেন কতটা জরুরি তা বোঝা যায়। চামড়ার সবকিছুর সাথে এর যোগসাজোশ রয়েছে। চুলকানি এড়াতে হলে গ্লুটেন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

দেখা যায়, আমাদের দেশের ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষই এটোপিক চর্মরোগে আক্রান্ত। এজন্য তারা আটা জাতীয় খাবার খেতে পারবে না। এটাপিক চর্মরোগ কারও না থাকলেও অ্যাকজিমা ঠিকই আছে। অ্যাকজিমার ক্ষেত্রে সব সময়ই যে মাছের আশের মতো উঠবে এমনটা নয়। শুধু শুষ্ক ত্বকও থাকতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

MD Alam

জনপ্রিয়

শিশুকে সুজি খাওয়ানো ঠিক নয়

Update Time : ০৭:৫৪:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১

ফার্স্টনিউজ ডেস্ক

অনেক মা শিশুকে সুজি খাওয়ান। কিন্তু এক বছরের নিচের বয়সী শিশুদের একবারের জন্যও সুজি কিংবা গরুর দুধ খাওয়ানো উচিত নয়। এটি খাওয়ালে তাদের কোষের মধ্যে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া স্থান করে নিতে পারে। এর ফল তাকে সারাজীবন ভোগ করতে হবে।

সচেতন মা এখন গরুর দুধের বিষয়টি খেয়াল রাখছেন। কিন্তু সুজির বিষয়টি জানেনই না। এ বিষয়েও সচেতন হতে হবে। সুজি একদিনের জন্যও খাওয়ানো ঠিক নয়। কারণ ময়দা হলো আটার পরিশোধিত রূপ। আটা যখন পরিশোধন করে সুজি, বেসন, ময়দা ইত্যাদি হিসেবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, তখন তাতে গ্লুটেন ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি অ্যালার্জির অন্যতম নিয়ামক। বিশ্বের সব দেশেই খাদ্য প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো সংরক্ষণের জন্য গ্লুটেন ব্যবহার করে। আর কৃত্রিম জুসে ব্যবহার করা হয় ফ্রুক্টোজ। সব ধরনের ইনস্ট্যান্ট ও প্রক্রিয়াজত খাদ্যে ব্যবহার করা হয় প্রিজারভেটিভ।

ইনস্ট্যান্ট খাদ্যের মধ্যে অন্যতম হলো, নুডুলস, স্যুপ। কৃত্রিম জুসে থাকে প্রাকৃতিক ও কৃক্রিম ফ্রুক্টোজ। কৃত্রিম ফ্রুক্টোজ হাইপার সেনসিটিভিটিকে রিঅ্যাকশন করে। জুস সবাই খেলেও শিশুদের জন্য আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরা হয়। শীতে শিশুদের চারটি চর্মরোগের (এটোপিক একজিমা, সোরিয়াসিস, ভিটিলিগো ও হাইড্রাডেনিটিস সুপারেটিভা) মধ্যে এটোপিক একজিমা বেশি হয়। ব্রণের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর হয়ে থাকে হাইড্রাডেনিটিস সুপারেটিভা। এতে চর্বিবহুল গন্থি এবং চুলে গুটিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এলার্জির কারণে চুল পড়ে এবং গোটা বিশ্বে এটি খুব কমন সমস্যা।

অ্যালার্জির সাথে ত্বকের সুস্থতা, শিশুদের স্বাস্থ্য ও চুল পরার ক্ষেত্রে গ্লুটেন কতটা জরুরি তা বোঝা যায়। চামড়ার সবকিছুর সাথে এর যোগসাজোশ রয়েছে। চুলকানি এড়াতে হলে গ্লুটেন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

দেখা যায়, আমাদের দেশের ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষই এটোপিক চর্মরোগে আক্রান্ত। এজন্য তারা আটা জাতীয় খাবার খেতে পারবে না। এটাপিক চর্মরোগ কারও না থাকলেও অ্যাকজিমা ঠিকই আছে। অ্যাকজিমার ক্ষেত্রে সব সময়ই যে মাছের আশের মতো উঠবে এমনটা নয়। শুধু শুষ্ক ত্বকও থাকতে পারে।