জয়দেব কুমার দাস, জেলা প্রতিনিধি বগুড়া
আগাম ধান ঘরে তুলে সেই জমিতে আগাম আলু চাষে নেমে পড়েছেন বগুড়ার চাষিরা। এরই মধ্যে ওই জমিতে আলুর জন্য হালচাষ, পরিচর্যা, সার প্রয়োগ, বীজ সংগ্রহ ও বপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। জেলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২২০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের আলু বীজ বপণ হয়েছে।
গত বছরের তুলনায় এবছর বীজের দাম বেশি ও শ্রমিকের মজুরি বাড়ার কারণে আলু চাষের খরচ বাড়বে বলে জানিয়েছেন আলু চাষিরা। তবুও তারা দ্বিগুণ লাভের স্বপ্ন দেখছেন এবং আশা করছেন, অগ্রহায়ণ মাসের প্রথমেই ভোক্তাদের কাছে নতুন আলু তুলে দিতে পারবেন।
বগুড়া সদরের মাটিডালি ও শাখারিয়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন প্রকার জৈব ও রাসায়নিক সার দিয়ে আলু চাষের জন্য জমি তৈরি করছেন কৃষকরা। আবার কেউ জমি তৈরি করে বীজ আলু জমিতে লাইন ধরে বপণ করছেন। অগ্রহায়ণ মাসে আলু চাষের মৌসুম হলেও বেশি দাম পাওয়ার আশায় আশ্বিন মাস থেকে আগাম আলু চাষ করেন এ এলাকার কৃষকরা।
তারা জানান, বীজ আলু বপণের দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যেই আগাম আলু তুলে বাজারজাত করতে পারেন এবং দাম ভালো পান বলেই আগাম আলু চাষে কৃষকের আগ্রহ বেশি। বর্তমানে বাজার থেকে লাল পাকড়ি, রোমানা আলুর বীজ কিনছেন প্রতিকেজি ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। আর কার্ডিনাল, ডায়মন্ড জাতের বীজ প্রতিকেজি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় কিনছেন কৃষকরা। কৃষকেদের দাবি চলতি বছর আলুর বীজের দাম অনেক বেশি।
বগুড়া সদরের শাখারিয়া এলাকার কৃষক মতিয়ুর রহমান বলেন, ‘বাজারে আগাম জাতের আলুর চাহিদা এবং দাম বেশি হওয়ায় আর্থিকভাবেও লাভবান হওয়া যায়। বপণের দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যেই বাজারজাত করা যায়। এবছর তিনি ছয় বিঘা জমিতে আগাম সেভেন জাতের আলু লাগিয়েছেন। প্রতিকেজি বীজ আলু কিনেছেন ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। গতবারের তুলনায় খরচটা বেড়েছে। ভালো ফলন হলে সারা বছরের ক্ষতি পুশিয়ে নিতে পারব। এজন্যই ধান কাটার সাথে সাথে আগাম আলু চাষ করি।’
Reporter Name 



















