আজ পবিত্র ঈদুল আজহা। নামাজ ও কোরবানির মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর এই ঈদ মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে। নামাজ শেষে আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় পশু কোরবানি দেবেন মুসল্লিরা।
রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। প্রধান জামাতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেবেন।
জাতীয় ঈদগাহে মুসল্লিদের প্রবেশের জন্য পাঁচটি গেট রাখা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি পুরুষ ও একটি নারী মুসল্লিদের জন্য নির্ধারিত। ঈদগাহ ও আশপাশের এলাকায় চার থেকে ছয় স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
ঈদগাহ এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা, আর্চওয়ে, হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর ও ম্যানুয়াল তল্লাশির ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া ড্রোন মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিও থাকবে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মুসল্লিদের শুধু জায়নামাজ ও প্রয়োজনে ছাতা সঙ্গে আনার অনুরোধ জানিয়েছে। একই সঙ্গে কোনো ধরনের ব্যাগ, ধারালো বস্তু বা দাহ্য পদার্থ সঙ্গে না আনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতি বছরের মতো এবারও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পাঁচটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জামাতগুলো হবে সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা, ১০টা ও ১০টা ৪৫ মিনিটে।
এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে দুটি জামাতের আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদেও তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
রাজধানীর শতাধিক খোলা ঈদগাহ মাঠ ও দেড় হাজারের বেশি স্থানীয় মসজিদে ঈদুল আজহার জামাত আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
ডেস্ক নিউজ 















