মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে রাজধানীতে জ্বালানি তেলের সংকট বা বাড়তি দাম দেখা যাচ্ছে। ফলে বিপদে পড়েছেন গাড়ির মালিকরা।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দেখা গেছে, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালকেরা ট্যাংকি ভর্তি তেল নিতে পাম্পের সীমানা ছাড়িয়ে মূল সড়ক পর্যন্ত লম্বা সারি গড়ে তুলেছেন।
পাম্প সংশ্লিষ্টরা জানান, এখন পর্যন্ত তেলের দাম বাড়ানো বা সরবরাহ কমানোর কোনো নির্দেশনা নেই। তবে গুজব ও আশঙ্কার কারণে অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল নিচ্ছেন, ফলে চাপ বেড়েছে।
ঢাকা কলেজের সামনে মেঘনা মডেল সার্ভিসের এক কর্মচারী বলেন, “সাধারণত মানুষ যতটুকু তেল প্রয়োজন ততটুকুই নেয়। কিন্তু গত রাত থেকে অনেকেই ট্যাংকি পূর্ণ করে নিচ্ছেন। ফলে সন্ধ্যার পর পাম্পে তেল শেষ হয়ে গেছে। রাতের পর আবার সরবরাহ হবে।”
মোটরসাইকেল চালক শাহরিয়ার বলেন, “ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে তেলের জাহাজ আটকে গেছে। হঠাৎ সংকট শুরু হতে পারে, দামও বাড়তে পারে—এজন্যই বেশি তেল কিনতে এসেছি।”
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রলপাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাড়তি তেল কেনার কারণে পাম্পে সাময়িক সংকট তৈরি হচ্ছে। যাদের জন্য তেল প্রয়োজন, তারা পাচ্ছেন না। প্রত্যেক পাম্পে নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হয়। হঠাৎ সবাই বেশি তেল কিনলে স্বাভাবিকভাবেই চাপ তৈরি হয়।
তিনি জানান, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় তেলের বিক্রি অনেক বেড়েছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ তেল বিক্রি হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় বেশি।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















