৪৩তম বিসিএসে নিয়োগ পেলেন ২০৬৪ জন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৪৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৪
  • 153


জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

৪৩তম বিসিএসে দুই হাজার ৬৪ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের প্রায় ১০ মাস পর এ নিয়োগ দেওয়া হলো।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নবনিয়োগ অধিশাখা থেকে মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) এ নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

প্রশাসন ক্যাডারে ২৯৩ জন, পুলিশ ক্যাডারে ৯৬ জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ২৫ জন, নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারে ৩২ জন, তথ্য ক্যাডারে ২২ জনসহ বিভিন্ন ক্যাডারে এ কর্মকর্তারা নিয়োগ পেয়েছেন।

পিএসসির সুপারিশের প্রায় ১০ মাস পর এ নিয়োগ দেওয়া হলো। আর এ বিসিএসের পুরো নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সময় লাগলো প্রায় চার বছর।

নিয়োগ আদেশে নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ২ নভেম্বরের মধ্যে ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ের পদায়ন করা কার্যালয়ে যোগদানের জন্য বলা হয়েছে। ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় থেকে পরবর্তী কোনো নির্দেশ না পেলে ওই তারিখেই তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগদান করবেন। নির্ধারিত তারিখে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগদান করতে সম্মত নন বলে ধরে নেওয়া হবে এবং নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।

আদেশে বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্তদের লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বা সরকার নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নিতে হবে। এ প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পেশাগত ও বিশেষ ধরনের প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

নিয়োগপ্রাপ্তদের দুই বছর শিক্ষাণবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে জানিয়ে আদেশে বলা হয়েছে, এসময়ে যদি তিনি চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী বলে বিবেচিত হন, তবে কোনো কারণ দর্শানো এবং পিএসসির সঙ্গে পরামর্শ ছাড়াই চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে।

গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ৪৩তম বিসিএসের ক্যাডার ও নন-ক্যাডারের ফল প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে মোট দুই হাজার ৮০৫ জনকে নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়। তাদের মধ্যে ক্যাডার ২ হাজার ১৬৩ জন এবং নন-ক্যাডার ৬৪২ জন।

২০২২ সালের জুলাইয়ে লিখিত পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করে পিএসসি। গত বছরের ২০ আগস্ট লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ৯ হাজার ৮৪১ জন। তারা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন।

এর আগে ২০২২ সালের ২০ জানুয়ারি ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত ফলাফলে ১৫ হাজার ২২৯ জন প্রার্থী প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ হন। ২০২১ সালের ২৯ অক্টোবর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয়। এ পরীক্ষায় অংশ নিতে চার লাখ ৪২ হাজার ৮৩২ জন চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেন, যা বিসিএসের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদনের রেকর্ড।

বিভিন্ন ক্যাডারের দুই হাজার ২১৮টি শূন্যপদ পূরণে ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৩তম সাধারণ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি দেয় পিএসসি। ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় আবেদন প্রক্রিয়া।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Din Mohammad

জনপ্রিয়

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

৪৩তম বিসিএসে নিয়োগ পেলেন ২০৬৪ জন

Update Time : ০৯:৪৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৪


জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

৪৩তম বিসিএসে দুই হাজার ৬৪ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের প্রায় ১০ মাস পর এ নিয়োগ দেওয়া হলো।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নবনিয়োগ অধিশাখা থেকে মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) এ নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

প্রশাসন ক্যাডারে ২৯৩ জন, পুলিশ ক্যাডারে ৯৬ জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ২৫ জন, নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারে ৩২ জন, তথ্য ক্যাডারে ২২ জনসহ বিভিন্ন ক্যাডারে এ কর্মকর্তারা নিয়োগ পেয়েছেন।

পিএসসির সুপারিশের প্রায় ১০ মাস পর এ নিয়োগ দেওয়া হলো। আর এ বিসিএসের পুরো নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সময় লাগলো প্রায় চার বছর।

নিয়োগ আদেশে নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ২ নভেম্বরের মধ্যে ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ের পদায়ন করা কার্যালয়ে যোগদানের জন্য বলা হয়েছে। ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় থেকে পরবর্তী কোনো নির্দেশ না পেলে ওই তারিখেই তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগদান করবেন। নির্ধারিত তারিখে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগদান করতে সম্মত নন বলে ধরে নেওয়া হবে এবং নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।

আদেশে বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্তদের লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বা সরকার নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নিতে হবে। এ প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পেশাগত ও বিশেষ ধরনের প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

নিয়োগপ্রাপ্তদের দুই বছর শিক্ষাণবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে জানিয়ে আদেশে বলা হয়েছে, এসময়ে যদি তিনি চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী বলে বিবেচিত হন, তবে কোনো কারণ দর্শানো এবং পিএসসির সঙ্গে পরামর্শ ছাড়াই চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে।

গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ৪৩তম বিসিএসের ক্যাডার ও নন-ক্যাডারের ফল প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে মোট দুই হাজার ৮০৫ জনকে নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়। তাদের মধ্যে ক্যাডার ২ হাজার ১৬৩ জন এবং নন-ক্যাডার ৬৪২ জন।

২০২২ সালের জুলাইয়ে লিখিত পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করে পিএসসি। গত বছরের ২০ আগস্ট লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ৯ হাজার ৮৪১ জন। তারা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন।

এর আগে ২০২২ সালের ২০ জানুয়ারি ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত ফলাফলে ১৫ হাজার ২২৯ জন প্রার্থী প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ হন। ২০২১ সালের ২৯ অক্টোবর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয়। এ পরীক্ষায় অংশ নিতে চার লাখ ৪২ হাজার ৮৩২ জন চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেন, যা বিসিএসের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদনের রেকর্ড।

বিভিন্ন ক্যাডারের দুই হাজার ২১৮টি শূন্যপদ পূরণে ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৩তম সাধারণ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি দেয় পিএসসি। ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় আবেদন প্রক্রিয়া।