অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন মন্ত্রণালয়ের সংস্কার কর্মসূচি ঘোষণা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১২:৪৬:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • 228

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আইন মন্ত্রণালয়ের সংস্কার কার্যক্রমের সপ্তম ধাপ ঘোষণা করেছে। এতে বিচারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ঘোষিত কর্মসূচিতে বলা হয়েছে—

১. গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধকে গুরুমাত্রার অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
২. স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার স্বার্থে বিচারকার্য সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
৩. দেশি আইনজীবীদের পাশাপাশি বিদেশি আইনজীবীদের নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হবে।
৪. অন্তর্বর্তীকালীন আপিলের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
৫. আন্তর্জাতিক অপরাধের অভিযোগপত্র দাখিল হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের বিচারব্যবস্থা আরও আধুনিক, জবাবদিহিমূলক ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য কাঠামোয় উন্নীত হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Din Mohammad

জনপ্রিয়

নির্মাতা মুকুল নেত্রবাদীর ‘দুধমা’য় নবাগতা চিত্রনায়িকা সিনথিয়ার অভিষেক

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন মন্ত্রণালয়ের সংস্কার কর্মসূচি ঘোষণা

Update Time : ১২:৪৬:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আইন মন্ত্রণালয়ের সংস্কার কার্যক্রমের সপ্তম ধাপ ঘোষণা করেছে। এতে বিচারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ঘোষিত কর্মসূচিতে বলা হয়েছে—

১. গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধকে গুরুমাত্রার অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
২. স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার স্বার্থে বিচারকার্য সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
৩. দেশি আইনজীবীদের পাশাপাশি বিদেশি আইনজীবীদের নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হবে।
৪. অন্তর্বর্তীকালীন আপিলের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
৫. আন্তর্জাতিক অপরাধের অভিযোগপত্র দাখিল হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের বিচারব্যবস্থা আরও আধুনিক, জবাবদিহিমূলক ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য কাঠামোয় উন্নীত হবে।