রমজানের প্রথম শুক্রবারে চড়া মাছ-গোশতের বাজার

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০১:১০:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 91

রমজানের প্রথম শুক্রবারে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে মাছ ও গোশতের দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা কেজিতে, ব্রয়লার মুরগি ২০০-২১০ টাকা, লাল লেয়ার ৩৩০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৫০ টাকায়। গরুর গোশতের দাম ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, খাসির গোশতের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে, প্রতি কেজি ১২০০ টাকা।

মাছের বাজারেও দাম বেড়েছে। মাঝারি আকারের রুই ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা কেজিতে, কাতলা ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশের দাম আকারভেদে ১২০০ থেকে ২৫০০ টাকা, শিং ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, মাগুর ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা এবং চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, রমজান, ইফতার ও পারিবারিক আয়োজনে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিমের দাম তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে, প্রতি ডজন ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা আশঙ্কা করছেন, যদি সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকে, তাহলে রোজার মাঝামাঝি সময়ে দাম আরও বাড়তে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

রমজানের প্রথম শুক্রবারে চড়া মাছ-গোশতের বাজার

Update Time : ০১:১০:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রমজানের প্রথম শুক্রবারে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে মাছ ও গোশতের দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা কেজিতে, ব্রয়লার মুরগি ২০০-২১০ টাকা, লাল লেয়ার ৩৩০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৫০ টাকায়। গরুর গোশতের দাম ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, খাসির গোশতের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে, প্রতি কেজি ১২০০ টাকা।

মাছের বাজারেও দাম বেড়েছে। মাঝারি আকারের রুই ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা কেজিতে, কাতলা ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশের দাম আকারভেদে ১২০০ থেকে ২৫০০ টাকা, শিং ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, মাগুর ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা এবং চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, রমজান, ইফতার ও পারিবারিক আয়োজনে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিমের দাম তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে, প্রতি ডজন ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা আশঙ্কা করছেন, যদি সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকে, তাহলে রোজার মাঝামাঝি সময়ে দাম আরও বাড়তে পারে।