ঢাকাতেও কিছুটা লোডশেডিং মেনে নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১২:০০:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 2

রাজধানী ঢাকাকে পুরোপুরি লোডশেডিংমুক্ত রাখার ধারণা থেকে সরকার সরে এসেছে। ফলে ঢাকাতেও কিছুটা লোডশেডিং মেনে নিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশের বিদ্যুৎ সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ গ্যাসের সংকট। গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হলে বর্তমান লোডশেডিং পরিস্থিতিরও উন্নতি হবে বলে আশা করা যায়।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও দেশে লোডশেডিং ছিল। তবে ঢাকায় তা প্রায় দেওয়া হতো না। ঢাকার মানুষের ‘ভয়েস’ বেশি এবং সামাজিক পুঁজি বেশি হওয়ায় রাজধানীকে লোডশেডিংয়ের বাইরে রাখা হয়েছিল।

লোডশেডিংয়ের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০২৩ সালের জুনে দেশে দৈনিক গড়ে ৯৬৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছিল। ২০২৬ সালের জুনে তা কমে ৭৪১ মেগাওয়াটে দাঁড়ায়। একইভাবে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে গড় লোডশেডিং ছিল ৬১৩ মেগাওয়াট, যা ২০২৬ সালের জুলাইয়ে ৪৬০ মেগাওয়াটে নেমে আসে।

তবে আগস্টে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ২০২৩ সালের আগস্টে দৈনিক গড় লোডশেডিং ছিল ৩৬০ মেগাওয়াট। বিপরীতে ২০২৬ সালের আগস্টে তা বেড়ে ১ হাজার ৫৬৫ মেগাওয়াটে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমান বিদ্যুৎ সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, গ্যাসের সংকট কেটে গেলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা দেশের সবচেয়ে বড় শহর এবং এখানে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি। তাই বিদ্যুতের ক্ষেত্রে রাজধানী কিছুটা অগ্রাধিকার পেতে পারে। তবে ঢাকাকে একেবারে লোডশেডিংমুক্ত রাখার নীতি থেকে সরকার সরে আসছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান

ঢাকাতেও কিছুটা লোডশেডিং মেনে নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

Update Time : ১২:০০:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানী ঢাকাকে পুরোপুরি লোডশেডিংমুক্ত রাখার ধারণা থেকে সরকার সরে এসেছে। ফলে ঢাকাতেও কিছুটা লোডশেডিং মেনে নিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশের বিদ্যুৎ সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ গ্যাসের সংকট। গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হলে বর্তমান লোডশেডিং পরিস্থিতিরও উন্নতি হবে বলে আশা করা যায়।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও দেশে লোডশেডিং ছিল। তবে ঢাকায় তা প্রায় দেওয়া হতো না। ঢাকার মানুষের ‘ভয়েস’ বেশি এবং সামাজিক পুঁজি বেশি হওয়ায় রাজধানীকে লোডশেডিংয়ের বাইরে রাখা হয়েছিল।

লোডশেডিংয়ের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০২৩ সালের জুনে দেশে দৈনিক গড়ে ৯৬৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছিল। ২০২৬ সালের জুনে তা কমে ৭৪১ মেগাওয়াটে দাঁড়ায়। একইভাবে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে গড় লোডশেডিং ছিল ৬১৩ মেগাওয়াট, যা ২০২৬ সালের জুলাইয়ে ৪৬০ মেগাওয়াটে নেমে আসে।

তবে আগস্টে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ২০২৩ সালের আগস্টে দৈনিক গড় লোডশেডিং ছিল ৩৬০ মেগাওয়াট। বিপরীতে ২০২৬ সালের আগস্টে তা বেড়ে ১ হাজার ৫৬৫ মেগাওয়াটে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমান বিদ্যুৎ সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, গ্যাসের সংকট কেটে গেলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা দেশের সবচেয়ে বড় শহর এবং এখানে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি। তাই বিদ্যুতের ক্ষেত্রে রাজধানী কিছুটা অগ্রাধিকার পেতে পারে। তবে ঢাকাকে একেবারে লোডশেডিংমুক্ত রাখার নীতি থেকে সরকার সরে আসছে।