বগুড়া জেলার শেরপুর ফায়ার স্টেশনের ফায়ারফাইটার মোঃ আহসান হাবীব দায়িত্ব পালনকালে বেপরোয়া বাসের আঘাতে নিহত হয়েছেন।
ফায়ারফাইটার আহসান হাবীবের অকাল মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি।
তিনি নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষকে পরিবারের প্রতি সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।
মহাপরিচালকের নির্দেশনায় রাজশাহী বিভাগের উপপরিচালক মোঃ মঞ্জিল হক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। মৃতদেহ পোস্ট মর্টেমের পর বগুড়া ফায়ার স্টেশনে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আহসান হাবিবের সহকর্মীরা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। এরপর উপপরিচালকের নেতৃত্বে মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা থানার ধনারুহা গ্রামে নেয়া হয়।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, গত শনিবার রাত দুইটার দিকে শেরপুর ফায়ার স্টেশনে একটি দুর্ঘটনার সংবাদ আসে। রেসপন্সের জন্য গাড়ি তাড়াতাড়ি বের করার সময় আহসান হাবীব এক ট্রাককে রাস্তায় থামান। সেই মুহূর্তে বেপরোয়া গতির একটি বাস ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দিয়ে ট্রাক স্টেশনের ভিতরে ঢুকে যায়, আর আহসান হাবীব ট্রাকের নিচে চাপা পড়েন। তাঁকে উদ্ধার করে বগুড়ার জিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। বাস ও ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। ট্রাকের নম্বর ঢাকা মেট্রো ন-১৯-২১৪৯ এবং বাসের নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-০৭৩০।
মোঃ আহসান হাবীব (পিআইএন: ৫০০৯০৬) ১১-৫-২০২৩ থেকে শেরপুর ফায়ার স্টেশনে ফায়ারফাইটার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ১৪-১১-২০০৫ সালে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। তাঁর বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা থানার ধনারুহা গ্রামে। তিনি বিবাহিত, স্ত্রী নুর-নাহার বেগম, এক ছেলে আব্দুর রাহিম আহসান (১৪) এবং এক মেয়ে মারজিয়া আহসান সিনথী (২২)।
আহমেদ সাব্বির রোমিও 


















