খুলনা সংবাদদাতাঃ দারিদ্রতার নির্মম কষাঘাত সহ্য করতে না পেরে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্র অন্তু রায় (২১) আত্মহত্যা করেছে। আজ সোমবার (৪ এপ্রিল) সকালে ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়নের নিজ বাসাতেই তিনি আত্মহত্যা করেন। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এদিকে তার মৃত্যুর সংবাদ শোক প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।জানা যায়, অন্তু খুবই মেধাবী ছাত্র ছিল। তবে তার পরিবারে আর্থিক অনটন ছিল। পাশাপাশি কুয়েটের ড. এম এ রশিদ হলেও তার অনেক টাকা বকেয়া হয়ে গিয়েছিল। গত রবিবার অন্তু তার পরিবারের কাছে টাকা চায়। এসময় তার মা তাকে ৩ হাজার টাকা দিয়েছিল। এরপর সোমবার সকালে তার বাবা দেবব্রত রায় ও তার মা মাঠে যায় কাজ করতে। তার ছোট বোন বেলা ১১টার দিকে প্রাইভেট পড়া থেকে এসে ঘরের মধ্যে অন্তুর লাশ ঝুলতে দেখে।ডুমুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ওবায়দুর রহমান জানান, সকালে ছোট বোন অন্তুর লাশ দেখতে পায়। মাটির ঘরের বাঁশের আড়ার সঙ্গে কাপড় পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। এলাকায় তিনি ভদ্র ছেলেই হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে পরিবারের অনেক আর্থিক সংকট রয়েছে। আর্থিক অনটনের জের ধরেই হয়ত তিনি আত্মহত্যা করেছেন।এদিকে কুয়েটের কর্তৃপক্ষ জানান, অন্তু মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। তার এমন মৃত্যুতে কুয়েট পরিবার শোকাহত। অন্তর পরিবারকে শোক জানাতে ইতিমধ্যে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধানসহ শিক্ষকরা তাদের বাসায় গিয়েছিলেন।কুয়েট ছাত্রলীগের নেতারা জানান, অন্তু মেধাবী তবে আর্থিক সংকটেও ছিল। হলে তার কিছু টাকা বকেয়া হয়ে গিয়েছিল। হলের প্রভোস্টের সঙ্গে বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছিল। এরই মধ্যে তার এমন মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।
ব্রেকিং :
দারিদ্রতা ও আর্থিক অনটনই ছিল আত্মহত্যার কারন
-
Reporter Name - Update Time : ১২:৩০:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল ২০২২
- 150
Tag :
জনপ্রিয়



















