দূরপাল্লায় ৮, সিটিতে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব যাত্রী কল্যাণ সমিতির

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:৫৯:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 13

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ৮ পয়সা এবং সিটি সার্ভিসে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। একই সঙ্গে লঞ্চের ভাড়া প্রতি নটিক্যাল মাইলে ৫ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাবও দিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক জরুরি প্রেস বার্তায় সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এসব প্রস্তাব দেন।

প্রেস বার্তায় বলা হয়, জ্বালানির দাম বাড়লে বাস ও লঞ্চের ভাড়া বাড়বে— এটাই স্বাভাবিক। তবে ভাড়া পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে যাত্রীসাধারণের প্রতিনিধিত্ব বাদ দিয়ে বাস ও লঞ্চ মালিকদের নিয়ে সরকারি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলো দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছে।

সংগঠনটি বলছে, জনস্বার্থের ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার পরিবর্তে লুকোচুরি করা হচ্ছে। কত টাকা পরিচালন ব্যয় বেড়েছে এবং কত পয়সা ভাড়া বাড়ালে সেই ব্যয় সমন্বয় করা সম্ভব, তার কোনো স্বচ্ছতা প্রকাশ করা হচ্ছে না। বিগত সরকারের সময় থেকে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির একচেটিয়া সুবিধা বাস ও লঞ্চ মালিকদের দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলছে, দেশের বৃহত্তর অংশীজন যাত্রীসাধারণের প্রতিনিধিদের ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে কোনো মতামত নেওয়া হয় না। এর ফলে সাধারণ মানুষ বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

আজমুল হত্যা: আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন রিফাত

দূরপাল্লায় ৮, সিটিতে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব যাত্রী কল্যাণ সমিতির

Update Time : ১১:৫৯:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ৮ পয়সা এবং সিটি সার্ভিসে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। একই সঙ্গে লঞ্চের ভাড়া প্রতি নটিক্যাল মাইলে ৫ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাবও দিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক জরুরি প্রেস বার্তায় সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এসব প্রস্তাব দেন।

প্রেস বার্তায় বলা হয়, জ্বালানির দাম বাড়লে বাস ও লঞ্চের ভাড়া বাড়বে— এটাই স্বাভাবিক। তবে ভাড়া পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে যাত্রীসাধারণের প্রতিনিধিত্ব বাদ দিয়ে বাস ও লঞ্চ মালিকদের নিয়ে সরকারি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলো দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছে।

সংগঠনটি বলছে, জনস্বার্থের ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার পরিবর্তে লুকোচুরি করা হচ্ছে। কত টাকা পরিচালন ব্যয় বেড়েছে এবং কত পয়সা ভাড়া বাড়ালে সেই ব্যয় সমন্বয় করা সম্ভব, তার কোনো স্বচ্ছতা প্রকাশ করা হচ্ছে না। বিগত সরকারের সময় থেকে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির একচেটিয়া সুবিধা বাস ও লঞ্চ মালিকদের দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলছে, দেশের বৃহত্তর অংশীজন যাত্রীসাধারণের প্রতিনিধিদের ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে কোনো মতামত নেওয়া হয় না। এর ফলে সাধারণ মানুষ বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।