পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ২৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৫১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৩
  • 132

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:

তিন মাস ১৩ দিন পর কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়েছে। এবার পাওয়া গেছে ২৩ বস্তা টাকা। এখন চলছে টাকা গণনার কাজ।

শনিবার (১৯ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে মসজিদের আটটি দানবাক্স খোলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ।

তিনি জানান, প্রতি তিন মাস পরপর পাগলা মসজিদের আটটি দানবাক্স খোলা হয়। এবার তিন মাস ১৩ দিন পর খোলা হলে ২৩ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। এখন চলছে গণনার কাজ।

চার মাস আগে গত ৬ মে দানবাক্সে ১৯ বস্তায় পাওয়া যায় পাঁচ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৮৯ টাকা। সঙ্গে মিলেছে বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা ও রুপা। এর আগে গত ৭ জানুয়ারি তিন মাস ছয়দিন পর দানবাক্স খোলা হলে ২০ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল। দিনব্যাপী টাকা গণনা শেষে রেকর্ড চার কোটি ১৮ লাখ ১৬ হাজার ৭৪৪ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা ও রুপা পাওয়া গিয়েছিল। সঙ্গে ডায়মন্ডের গয়নাও পাওয়া গিয়েছিল।

টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছে মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

মসজিদ পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৮টায় জেলা প্রশাসক মো. আবুল কালাম আজাদ, পুলিশ সুপার রাসেল শেখ ও জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়। দানবাক্সগুলো খুলে দানের টাকা ২৩টি বস্তায় ভরে আনা হয় গণনার জন্য। বিকাল পর্যন্ত চলবে টাকা গণনার কাজ। তারপর জানা যাবে এবারের দানের মোট টাকার পরিমাণ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ২৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

Update Time : ১২:৫১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৩

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:

তিন মাস ১৩ দিন পর কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়েছে। এবার পাওয়া গেছে ২৩ বস্তা টাকা। এখন চলছে টাকা গণনার কাজ।

শনিবার (১৯ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে মসজিদের আটটি দানবাক্স খোলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ।

তিনি জানান, প্রতি তিন মাস পরপর পাগলা মসজিদের আটটি দানবাক্স খোলা হয়। এবার তিন মাস ১৩ দিন পর খোলা হলে ২৩ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। এখন চলছে গণনার কাজ।

চার মাস আগে গত ৬ মে দানবাক্সে ১৯ বস্তায় পাওয়া যায় পাঁচ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৮৯ টাকা। সঙ্গে মিলেছে বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা ও রুপা। এর আগে গত ৭ জানুয়ারি তিন মাস ছয়দিন পর দানবাক্স খোলা হলে ২০ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল। দিনব্যাপী টাকা গণনা শেষে রেকর্ড চার কোটি ১৮ লাখ ১৬ হাজার ৭৪৪ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা ও রুপা পাওয়া গিয়েছিল। সঙ্গে ডায়মন্ডের গয়নাও পাওয়া গিয়েছিল।

টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছে মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

মসজিদ পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৮টায় জেলা প্রশাসক মো. আবুল কালাম আজাদ, পুলিশ সুপার রাসেল শেখ ও জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়। দানবাক্সগুলো খুলে দানের টাকা ২৩টি বস্তায় ভরে আনা হয় গণনার জন্য। বিকাল পর্যন্ত চলবে টাকা গণনার কাজ। তারপর জানা যাবে এবারের দানের মোট টাকার পরিমাণ।