Dhaka ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিবেশীর উঠান থেকে নিখোঁজ শিশুর মাটিচাপা বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় নিখোঁজের তিন দিন পর জিসান (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে উপজেলার দেয়াড়া খেয়াঘাটসংলগ্ন একটি বাড়ির উঠানে মাটিচাপা অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিবেশী ফয়সাল শেখকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, নিহত শিশু জিসানের বাবা মো. আলমগীর হোসেন স্থানীয় মণ্ডল জুট টেক্সটাইল মিলে মেকানিক্যাল পদে চাকরি করেন। তিনি পরিবার নিয়ে কারখানার কোয়ার্টারে থাকেন। ৯ অক্টোবর বিকেল থেকে জিসান নিখোঁজ ছিল। খোঁজ না পেয়ে ওই দিনই আলমগীর হোসেন দিঘলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
তদন্তে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কোয়ার্টার থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে স্থানীয় জি এম হান্নান শেখের ছেলে ফয়সাল শেখের সঙ্গে সর্বশেষ জিসানকে দেখা গেছে। তিনি জিসানকে বাড়ির ভেতর নিয়ে গিয়েছিলেন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে দিঘলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ফয়সালের সঙ্গে শিশুটি বাড়ির গেটের আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। আজ শনিবার ফয়সালকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর বাড়ির উঠানে মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় বস্তাবন্দী লাশটি উদ্ধার করা হয়। ওই বাড়িতে অন্য কাউকে পাওয়া যায়নি। হত্যার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। ফয়সালকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

প্রতিবেশীর উঠান থেকে নিখোঁজ শিশুর মাটিচাপা বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার

Update Time : ০৩:১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় নিখোঁজের তিন দিন পর জিসান (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে উপজেলার দেয়াড়া খেয়াঘাটসংলগ্ন একটি বাড়ির উঠানে মাটিচাপা অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিবেশী ফয়সাল শেখকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, নিহত শিশু জিসানের বাবা মো. আলমগীর হোসেন স্থানীয় মণ্ডল জুট টেক্সটাইল মিলে মেকানিক্যাল পদে চাকরি করেন। তিনি পরিবার নিয়ে কারখানার কোয়ার্টারে থাকেন। ৯ অক্টোবর বিকেল থেকে জিসান নিখোঁজ ছিল। খোঁজ না পেয়ে ওই দিনই আলমগীর হোসেন দিঘলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
তদন্তে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কোয়ার্টার থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে স্থানীয় জি এম হান্নান শেখের ছেলে ফয়সাল শেখের সঙ্গে সর্বশেষ জিসানকে দেখা গেছে। তিনি জিসানকে বাড়ির ভেতর নিয়ে গিয়েছিলেন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে দিঘলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ফয়সালের সঙ্গে শিশুটি বাড়ির গেটের আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। আজ শনিবার ফয়সালকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর বাড়ির উঠানে মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় বস্তাবন্দী লাশটি উদ্ধার করা হয়। ওই বাড়িতে অন্য কাউকে পাওয়া যায়নি। হত্যার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। ফয়সালকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।