দেশজুড়ে চলমান তীব্র শীতের প্রভাবে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে মিশ্র চিত্র দেখা যাচ্ছে। নতুন বছরের শুরুতে মাছের দাম চড়া থাকলেও ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকার কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
বাজারে বর্তমানে ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়, যা এক মাস আগে ছিল ১২০ টাকা। সাদা ডিমের ডজন ১২০ থেকে ১২৫ টাকা এবং দেশি হাঁসের ডিম ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এক সপ্তাহ আগের তুলনায় মুরগির দাম কেজিতে প্রায় ১০ টাকা কমেছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১০০ টাকায়।
বিক্রেতারা জানান, শীতে রোগবালাইয়ের ঝুঁকি এড়াতে খামারিরা দ্রুত মুরগি বিক্রি করে দেওয়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে, ফলে দাম কিছুটা কমেছে।
অন্যদিকে মাছের বাজারে দাম এখনও চড়া। কোরাল মাছ কেজি প্রতি ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা, আইড় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, শিং ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং সরপুঁটি ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাঙাশ ও সিলভার কার্পের দাম ১৮০ থেকে ২৮০ টাকা। বড় চিংড়ি ৭৫০ থেকে ১২০০ টাকা এবং ছোট চিংড়ি ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এক কেজি ওজনের ইলিশ ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকা এবং দুই কেজি ওজনের ইলিশ ২৬০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
মাছ বিক্রেতারা বলছেন, শীতের কারণে নদীতে মাছ কম ধরা পড়ায় আড়তে দাম বেড়েছে, যার প্রভাব খুচরা বাজারে পড়ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, পাইকারিতে দাম কিছুটা কমলেও খুচরা বাজারে তার প্রতিফলন দেখা যায় না।
ক্রেতারা জানান, মাছের দাম তুলনামূলক বেশি থাকলেও মুরগি ও ডিমের দামে সাময়িক স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে।
ডেস্ক নিউজ 



















